শিরোনাম

প্রচ্ছদ কলাম

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার ফযিলত

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 386 বার

বান্দাহর প্রতি আল্লাহর অফুরন্ত নেয়ামত যার কোন শেষ নেই। বান্দাহ যেন অল্প আমলের বিনিময়ে অধিকতর সওয়াবের অধিকারী হতে পারে তার জন্য আল্লাহতায়ালা বিশেষ কিছু সুবর্ণ সুযোগ দান করেন। অসংখ্য সুবর্ণ সুযোগ গুলোর মধ্যে শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা অন্যতম। শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখা সুন্নত। এর গুরুত্ব এতো বেশি যে, রাসুল(সা:)নিজে শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রাখতেন এবং সাহাবায়ে কেরাম দের ও রাখতে নির্দেশ প্রদান করতেন। রমজান মাসের সিয়াম পালনের পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখার ফযিলত সম্পর্কে রাসুল(সা:)এক হাদিসে উল্লেখ করেছেন যে, যে ব্যক্তি রমজান মাসের রোজা রাখল এরপর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল সে যেন পূর্ণ একবছর রোজা রাখল। (মুসলিম, আব দাউদ, তিরমিজি ,নাসায়ী ও ইবনে মাযাহ)। সাওবান(রা:)থেকে বর্ণীত, রাসুল(সা:) ...বিস্তারিত

বান্দাহর প্রতি আল্লাহর অফুরন্ত নেয়ামত যার কোন শেষ নেই। বান্দাহ যেন অল্প আমলের বিনিময়ে অধিকতর সওয়াবের অধিকারী হতে পারে তার জন্য আল্লাহতায়ালা বিশেষ কিছু সুবর্ণ সুযোগ দান করেন। অসংখ্য সুবর্ণ সুযোগ গুলোর মধ্যে শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা অন্যতম। শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখা সুন্নত। এর গুরুত্ব এতো বেশি যে, রাসুল(সা:)নিজে শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রাখতেন এবং সাহাবায়ে কেরাম দের ও রাখতে নির্দেশ প্রদান করতেন। রমজান মাসের সিয়াম পালনের পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখার ফযিলত সম্পর্কে রাসুল(সা:)এক হাদিসে উল্লেখ ...বিস্তারিত

বান্দাহর প্রতি আল্লাহর অফুরন্ত নেয়ামত যার কোন শেষ নেই। বান্দাহ যেন অল্প আমলের বিনিময়ে অধিকতর সওয়াবের অধিকারী হতে পারে তার ...বিস্তারিত

রোজাদার ব্যক্তিরা রাইয়ান নামক জান্নাতের বাসিন্দা হবেন

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | সোমবার, ১১ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 407 বার

যে ব্যক্তি রমজান মাসে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় একটি নফল আদায় করল সে যেন অন্য মাসের একটি ফরজ আদায় করল, যে ব্যক্তি এ মাসে একটি ফরজ আদায় করল সে যেন অন্য মাসের সত্তরটি ফরজ আদায় করল। রমজান মাসের সবরের মাস, আর সবরের বিনিময় হলো জান্নাত। রমজান মাসে মুমিনের রিযিক বৃদ্ধি করা হয়। হজরত সাহল ইবনে সা'দ (রা:)হতে বর্ণীত, রাসুল(সা:)বলেন, জান্নাতের একটি দরজা আছে। তাকে রাইয়ান বলা হয়।কিয়ামতের দিন এ দরজা দিয়ে কেবলমাত্র রোজাদারগণ প্রবেশ করবেন। রোজাদার ছাড়া এ দরজা দিয়ে অন্য কেহ প্রবেশ করতে পারবে না। বলা হবে রোজাদারগণ কোথায়? তখন রোজাদারগণ দাঁড়িয়ে যাবে। তখন তারা সবাই ভেতরে প্রবেশ করার পর রাইয়ান নামক জান্নাতের দরজা বন্ধ করে দেওয়া ...বিস্তারিত

যে ব্যক্তি রমজান মাসে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় একটি নফল আদায় করল সে যেন অন্য মাসের একটি ফরজ আদায় করল, যে ব্যক্তি এ মাসে একটি ফরজ আদায় করল সে যেন অন্য মাসের সত্তরটি ফরজ আদায় করল। রমজান মাসের সবরের মাস, আর সবরের বিনিময় হলো জান্নাত। রমজান মাসে মুমিনের রিযিক বৃদ্ধি করা হয়। হজরত সাহল ইবনে সা'দ (রা:)হতে বর্ণীত, রাসুল(সা:)বলেন, জান্নাতের একটি দরজা আছে। তাকে রাইয়ান বলা হয়।কিয়ামতের দিন এ দরজা দিয়ে কেবলমাত্র রোজাদারগণ প্রবেশ করবেন। রোজাদার ছাড়া এ দরজা দিয়ে ...বিস্তারিত

যে ব্যক্তি রমজান মাসে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় একটি নফল আদায় করল সে যেন অন্য মাসের একটি ফরজ আদায় করল, ...বিস্তারিত

মাহে রমজান

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | রবিবার, ১০ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 301 বার

কাযা কাফফারার পরিচয়- কোনো অবস্থায় বা কারণে রোজা ভেঙ্গে গেলে কাযা কিংবা কাফফারা ওয়াজিব হয়। কাযা হলো একটি রোজার বদলে একটি রোজা রাখা। আর কাফফারা হলো রোজা সহ অতিরিক্ত একটি গোলাম আযাদ করা, তা সম্ভব না হলে অনবরত দু'মাস রোজা রাখা, এটা ও সম্ভব না হলে ষাট জন গরিবকে দু'বেলা পেটভরে আহার করানো। যে কারণে রোজা মাকরুহ হয়- * বিনা প্রয়োজনে কোন কিছু চাবানো বা চাখা। * মুখে থুথু জমা করে গিলে ফেলা।* শারীরিক দূর্বলতা সৃষ্টি হয় এমন কিছু করা।* অতিরিক্ত পরিশ্রম করা।* অন্যের গীবত ও দোষ চর্চা করা, অশ্লীল কাজ কর্মে লিপ্ত থাকা। রাসুল (সা:)বলেছেন জিহাদে যেমন তোমাদের কারো ঢাল থাকে তেমনি জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষার জন্য ও রোজা ...বিস্তারিত

কাযা কাফফারার পরিচয়- কোনো অবস্থায় বা কারণে রোজা ভেঙ্গে গেলে কাযা কিংবা কাফফারা ওয়াজিব হয়। কাযা হলো একটি রোজার বদলে একটি রোজা রাখা। আর কাফফারা হলো রোজা সহ অতিরিক্ত একটি গোলাম আযাদ করা, তা সম্ভব না হলে অনবরত দু'মাস রোজা রাখা, এটা ও সম্ভব না হলে ষাট জন গরিবকে দু'বেলা পেটভরে আহার করানো। যে কারণে রোজা মাকরুহ হয়- * বিনা প্রয়োজনে কোন কিছু চাবানো বা চাখা। * মুখে থুথু জমা করে গিলে ফেলা।* শারীরিক দূর্বলতা সৃষ্টি হয় এমন কিছু করা।* অতিরিক্ত পরিশ্রম ...বিস্তারিত

কাযা কাফফারার পরিচয়- কোনো অবস্থায় বা কারণে রোজা ভেঙ্গে গেলে কাযা কিংবা কাফফারা ওয়াজিব হয়। কাযা হলো একটি রোজার বদলে একটি ...বিস্তারিত

সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | শনিবার, ০৯ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 412 বার

আমরা মানুষ। মানুষ হিসেবে আমাদের ভুলত্রুটি থাকা ই স্বাভাবিক। আমরা যে সিয়াম বা রোজা পালন করি তা শত চেষ্টা করে ও একেবারে ত্রুটিমুক্ত করতে পারিনা। ত্রুটিপূর্ণ রোজাকে ত্রুটিমুক্ত করতে মাহে রমজানের শেষদিকে কিছু দান করতে হয়। এই দান কে ই ফিতরা বলে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা:) হতে বর্ণীত, তিনি বলেন, রাসুলে কারীম (সা:) সিয়ামকে বেহুদা ও অশ্লীল কথাবার্তা ও আআচরণ থেকে পবিত্র করার উদ্দেশ্যে এবং মিসকিনদের খাদ্যের ব্যবস্থার জন্য সদকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন (আবু দাউদ)। চার ইমামের মধ্যে তিনজন ইমাম মনে করেন ফিতরা ফরজ। কিন্তু আমাদের ইমাম, ইমামে আযম ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) এর সিদ্ধান্ত হলো ফিতরা ওয়াজিব। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর(রা:) হতে বর্ণীত। তিনি বলেন, রাসুল (সা:) স্বাধীন ও ক্রীতদাস, নর ...বিস্তারিত

আমরা মানুষ। মানুষ হিসেবে আমাদের ভুলত্রুটি থাকা ই স্বাভাবিক। আমরা যে সিয়াম বা রোজা পালন করি তা শত চেষ্টা করে ও একেবারে ত্রুটিমুক্ত করতে পারিনা। ত্রুটিপূর্ণ রোজাকে ত্রুটিমুক্ত করতে মাহে রমজানের শেষদিকে কিছু দান করতে হয়। এই দান কে ই ফিতরা বলে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা:) হতে বর্ণীত, তিনি বলেন, রাসুলে কারীম (সা:) সিয়ামকে বেহুদা ও অশ্লীল কথাবার্তা ও আআচরণ থেকে পবিত্র করার উদ্দেশ্যে এবং মিসকিনদের খাদ্যের ব্যবস্থার জন্য সদকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন (আবু দাউদ)। চার ইমামের মধ্যে তিনজন ইমাম মনে ...বিস্তারিত

আমরা মানুষ। মানুষ হিসেবে আমাদের ভুলত্রুটি থাকা ই স্বাভাবিক। আমরা যে সিয়াম বা রোজা পালন করি তা শত চেষ্টা করে ...বিস্তারিত

রমজান মাস আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটির মাস

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | শুক্রবার, ০৮ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 361 বার

দেখতে দেখতে মাহে রমজান তৃতীয় দশকে এসে পৌঁছেছে। আর অল্পদিনের মেহমান হয়ে আমাদের মাঝে থাকবে পবিত্র মাহে রমজান। যে কয়েকদিন হাতে রয়েছে সেদিন গুলোকে কাজে লাগানো উচিৎ। এই শেষ দশকে ই রয়েছে লাইলাতুলকদর এর মতো আজিমুশ্বান এক পবিত্র রাত। যে রাত হাজারো মাসের রাতের চেয়ে উত্তম। যে রাতে এবাদত করলে নিজের জীবন ধন্য হয়ে যায়। হুজুর(সা:) রমজানের শেষ দশক কে অতিমাত্রায় এবাদতের মনোনিবেশ করতেন। রাসুল (সা:) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজান মাস পেয়ে ও নিজেদের গুনাহ মাফ করিয়ে নিষ্পাপ হতে পারলোনা তার মতো হতভাগা এই পৃথিবীতে আর কেউ নেই। এই শেষ দশক অত্যন্ত মূল্যবান। এই দশকে আল্লাহতায়ালা অসংখ্য জাহান্নামিদের ক্ষমা করে দেন। তাই আমাদের সকলকে আল্লাহর দরবারে বেশি ...বিস্তারিত

দেখতে দেখতে মাহে রমজান তৃতীয় দশকে এসে পৌঁছেছে। আর অল্পদিনের মেহমান হয়ে আমাদের মাঝে থাকবে পবিত্র মাহে রমজান। যে কয়েকদিন হাতে রয়েছে সেদিন গুলোকে কাজে লাগানো উচিৎ। এই শেষ দশকে ই রয়েছে লাইলাতুলকদর এর মতো আজিমুশ্বান এক পবিত্র রাত। যে রাত হাজারো মাসের রাতের চেয়ে উত্তম। যে রাতে এবাদত করলে নিজের জীবন ধন্য হয়ে যায়। হুজুর(সা:) রমজানের শেষ দশক কে অতিমাত্রায় এবাদতের মনোনিবেশ করতেন। রাসুল (সা:) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজান মাস পেয়ে ও নিজেদের গুনাহ মাফ ...বিস্তারিত

দেখতে দেখতে মাহে রমজান তৃতীয় দশকে এসে পৌঁছেছে। আর অল্পদিনের মেহমান হয়ে আমাদের মাঝে থাকবে পবিত্র মাহে রমজান। ...বিস্তারিত

যিকির করার দ্বারা রুহ সতেজ হয়।

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | বৃহস্পতিবার, ০৭ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 325 বার

রহমত,মাগফিরাতের দশক শেষে শুরু হয়েছে নাজাতের দশক। রমজান মাস আল্লাহতায়ালা দান করেছেন বান্দাহ যেন অল্প এবাদতে অসংখ্য নেকি অর্জন লাভ করে জান্নাতের উপযুক্ত হতে পারে।আল্লাহর নৈকট্য লাভে ধন্য হতে পারে। এবাদত আরবি শব্দ, যা আব্দ থেকে উদ্ভূত। এর অর্থ হলো দাস বা গোলাম। অর্থাৎ আল্লাহতায়ালার দাসত্ব বা গোলামী বা আনুগত্য করা। পবিত্র আলকোরআনে আল্লাহতায়ালা এরশাদ করেছেন যে, আমি জ্বিন ও মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছি আমার এবাদত করার জন্য।( সুরা আল জারিয়াত,আয়াত ৫৬)। রমজান মাসের সবচেয়ে বড় এবাদত হলো রোজা রাখা। রমজান মাসের রোজা রাখার পাশাপাশি আমাদেরকে অন্যান্য সকল এবাদত সমূহে মনোনিবেশ করতে হবে। আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি লাভ করতে যিকির এক অন্যতম বড় মাধ্যম। রমজান মাসে বেশিবার যিকির করার দ্বারা আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গভীরতম হয়ে ...বিস্তারিত

রহমত,মাগফিরাতের দশক শেষে শুরু হয়েছে নাজাতের দশক। রমজান মাস আল্লাহতায়ালা দান করেছেন বান্দাহ যেন অল্প এবাদতে অসংখ্য নেকি অর্জন লাভ করে জান্নাতের উপযুক্ত হতে পারে।আল্লাহর নৈকট্য লাভে ধন্য হতে পারে। এবাদত আরবি শব্দ, যা আব্দ থেকে উদ্ভূত। এর অর্থ হলো দাস বা গোলাম। অর্থাৎ আল্লাহতায়ালার দাসত্ব বা গোলামী বা আনুগত্য করা। পবিত্র আলকোরআনে আল্লাহতায়ালা এরশাদ করেছেন যে, আমি জ্বিন ও মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছি আমার এবাদত করার জন্য।( সুরা আল জারিয়াত,আয়াত ৫৬)। রমজান মাসের সবচেয়ে বড় এবাদত হলো রোজা রাখা। রমজান মাসের ...বিস্তারিত

রহমত,মাগফিরাতের দশক শেষে শুরু হয়েছে নাজাতের দশক। রমজান মাস আল্লাহতায়ালা দান করেছেন বান্দাহ যেন অল্প এবাদতে অসংখ্য নেকি অর্জন ...বিস্তারিত

ইতিকাফ এক অনন্য এবাদত

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | মঙ্গলবার, ০৫ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 331 বার

রাসুল (সা:) রমজানের শেষ দশদিন ইতেকাফ করতেন। হজরত আয়েশা (রা:) হতে বর্ণীত আছে যে, নবী (সা:) রমজান মাসে শেষ দশক ইতিকাফ করতেন ওফাতের আগ পর্যন্ত। ইমামে আযম ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) এর মতে রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদায়ে কেফায়া। রমজান মাসের শেষ দশকে অর্থাৎ বিশ রমজান সূর্যাস্তের পূর্ব হতে রমজানের শেষদিন সূর্যাস্তের পর পবিত্র ঈদুল ফিতর এর চাঁদ উঠা অব্দি আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের আশায় মসজিদে অবস্থান করা সুন্নাত। ইতিকাফের গুরুত্ব সীমাহীন। যার মাধ্যমে মহিমান্বিত লাইলাতুলকদর নসীব হয়ে যেতে পারে। ইতিকাফ শুধু পুরুষের জন্য নয়।মহিলারা ও তাদের নিজ গৃহে ইতিকাফ করে আল্লাহর নৈকট্য লাভে এবাদত মশগুল হতে পারেন। যে ব্যক্তি এবাদতের নিয়তে সওয়াবের আশায় ইতিকাফ করে ...বিস্তারিত

রাসুল (সা:) রমজানের শেষ দশদিন ইতেকাফ করতেন। হজরত আয়েশা (রা:) হতে বর্ণীত আছে যে, নবী (সা:) রমজান মাসে শেষ দশক ইতিকাফ করতেন ওফাতের আগ পর্যন্ত। ইমামে আযম ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) এর মতে রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদায়ে কেফায়া। রমজান মাসের শেষ দশকে অর্থাৎ বিশ রমজান সূর্যাস্তের পূর্ব হতে রমজানের শেষদিন সূর্যাস্তের পর পবিত্র ঈদুল ফিতর এর চাঁদ উঠা অব্দি আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের আশায় মসজিদে অবস্থান করা সুন্নাত। ইতিকাফের গুরুত্ব সীমাহীন। যার মাধ্যমে ...বিস্তারিত

রাসুল (সা:) রমজানের শেষ দশদিন ইতেকাফ করতেন। হজরত আয়েশা (রা:) হতে বর্ণীত আছে যে, নবী (সা:) রমজান মাসে শেষ দশক ...বিস্তারিত

ই’তিকাফ আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | সোমবার, ০৪ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 319 বার

' ইতিকাফ ' আরবি উকুফ ধাতু থেকে উৎপন্ন। শব্দটির অর্থ কোনো বস্তু বা স্থানকে আঁকড়ে ধরে থাকা। ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ হলো মহা প্রভু আল্লাহপাকের নৈকট্য লাভের আশায় কোনো মসজিদে নিজেকে আবদ্ধ রাখা। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা:) হতে বর্ণীত রাসুল (সা:)রমজানের শেষ দশদিন ইতিকাফ করতেন।( বুখারী,মুসলিম)। হজরত আবু হুরাইরা (রা:) হতে বর্ণীত, তিনি বলেন, নবী করীম (সা:) প্রতি রমজান মাসের শেষ দশদিন ইতিকাফ করতেন। তারপর যখন সেই বছরটি এলো যে বছর তিনি ইন্তেকাল করেন। সে বছর তিনি বিশ দিন ইতিকাফ করেন।( বুখারী, আবু দাউদ)। ইতিকাফ অত্যন্ত ফযিলতপূর্ণ এক গুরুত্বপূর্ণ এবাদত। আল্লাহতায়ালার নৈকট্যলাভে ইতিকাফ এক অনন্য মাধ্যম। ইতিকাফ হলো গুনাহ মাফ করানোর এবাদত। কোনো শহর বা গ্রামের মসজিদে যদি কেউ ...বিস্তারিত

' ইতিকাফ ' আরবি উকুফ ধাতু থেকে উৎপন্ন। শব্দটির অর্থ কোনো বস্তু বা স্থানকে আঁকড়ে ধরে থাকা। ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ হলো মহা প্রভু আল্লাহপাকের নৈকট্য লাভের আশায় কোনো মসজিদে নিজেকে আবদ্ধ রাখা। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা:) হতে বর্ণীত রাসুল (সা:)রমজানের শেষ দশদিন ইতিকাফ করতেন।( বুখারী,মুসলিম)। হজরত আবু হুরাইরা (রা:) হতে বর্ণীত, তিনি বলেন, নবী করীম (সা:) প্রতি রমজান মাসের শেষ দশদিন ইতিকাফ করতেন। তারপর যখন সেই বছরটি এলো যে বছর তিনি ইন্তেকাল করেন। সে বছর তিনি বিশ দিন ...বিস্তারিত

' ইতিকাফ ' আরবি উকুফ ধাতু থেকে উৎপন্ন। শব্দটির অর্থ কোনো বস্তু বা স্থানকে আঁকড়ে ধরে থাকা। ইসলামী পরিভাষায় এর ...বিস্তারিত

মাহে রমজান

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | রবিবার, ০৩ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 322 বার

যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ পরিত্যাগ করবেনা তার শুধুমাত্র খানাপিনা পরিত্যাগ করা ছাড়া আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।শুধুমাত্র ক্ষুধার্ত ও পিপাসায় কাতর থাকার নাম ই রোজা বা এবাদত নয়। রোজার উদ্দেশ্য সম্পর্কে রাসুল(সা:)এরশাদ করেন ঈমান ও এহতেসাবের সাথে যে ব্যক্তি রোজা রাখবে তার অতীত গুণাহ সমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। রোজা অবস্থায় গীবত, পরনিন্দা ও মিথ্যা কথা বললে রোজা নষ্ট হয়ে যায়। ইবনে আব্বাস (রা:)বলেন,একবার দুইজন লোক যোহর কিংবা আসরের নামাজ পড়ল। তারা দুজন ই রোজাদার ছিল। রাসুল(সা:)নামাজ শেষ করে দুইজনকে বললেন, তোমরা পুনরায় ওযু করে নামাজ আবার পড়ে নাও।এবং রোজা এখনো চালিয়ে যাও।কিন্তু অন্যদিন তা কাযা করে নিও। তারা বললেন,হে আল্লাহর রাসুল(সা:)কেন? রাসুল(সা:)বললেন, তোমরা অমুক ব্যক্তির গীবত ও নিন্দা করেছো তাই। (মিশকাত ...বিস্তারিত

যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ পরিত্যাগ করবেনা তার শুধুমাত্র খানাপিনা পরিত্যাগ করা ছাড়া আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।শুধুমাত্র ক্ষুধার্ত ও পিপাসায় কাতর থাকার নাম ই রোজা বা এবাদত নয়। রোজার উদ্দেশ্য সম্পর্কে রাসুল(সা:)এরশাদ করেন ঈমান ও এহতেসাবের সাথে যে ব্যক্তি রোজা রাখবে তার অতীত গুণাহ সমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। রোজা অবস্থায় গীবত, পরনিন্দা ও মিথ্যা কথা বললে রোজা নষ্ট হয়ে যায়। ইবনে আব্বাস (রা:)বলেন,একবার দুইজন লোক যোহর কিংবা আসরের নামাজ পড়ল। তারা দুজন ই রোজাদার ছিল। রাসুল(সা:)নামাজ শেষ করে দুইজনকে বললেন, তোমরা ...বিস্তারিত

যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ পরিত্যাগ করবেনা তার শুধুমাত্র খানাপিনা পরিত্যাগ করা ছাড়া আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।শুধুমাত্র ক্ষুধার্ত ও ...বিস্তারিত

দোয়া কবুলের মাস মাহে রমজান

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | শনিবার, ০২ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 315 বার

দোয়া’ শব্দের অর্থ প্রার্থনা করা, আহ্বান করা, কোনো কিছু পাওয়ার জন্য আকুতি-মিনতি করা প্রভৃতি। দোয়া হচ্ছে আল্লাহর সঙ্গে বান্দার কথোপকথনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। মাহে রমজানে আল্লাহর কাছে পাপমুক্তির জন্য এমনভাবে দোয়া করতে হবে যেন নিজেদের মন ও হৃদয় পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়। সর্বোপরি মুসলমানেরা যেন সুস্থ থেকে পবিত্র রমজান মাসের রোজাগুলো সঠিকভাবে পালন করতে পারেন, সে জন্য সব সময় আল্লাহর কাছে এভাবে দোয়া করতে হবে, ‘হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমাকে তুমি পছন্দও করো, অতএব আমাকে ক্ষমা করো।’ দোয়ার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর ঘনিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে ও তাঁর উষ্ণ পরশে ধন্য হতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সিজদায় বান্দা তার প্রভুর অধিক নিকটবর্তী হয়ে থাকে, তাই তোমরা অধিক দোয়া করো।’ (মুসলিম) ‘আল্লাহর কাছে দোয়া অপেক্ষা উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন কোনো বস্তু নেই।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘দোয়া হচ্ছে ইবাদতের মগজ।’ (তিরমিজি) পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন ...বিস্তারিত

দোয়া’ শব্দের অর্থ প্রার্থনা করা, আহ্বান করা, কোনো কিছু পাওয়ার জন্য আকুতি-মিনতি করা প্রভৃতি। দোয়া হচ্ছে আল্লাহর সঙ্গে বান্দার কথোপকথনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। মাহে রমজানে আল্লাহর কাছে পাপমুক্তির জন্য এমনভাবে দোয়া করতে হবে যেন নিজেদের মন ও হৃদয় পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়। সর্বোপরি মুসলমানেরা যেন সুস্থ থেকে পবিত্র রমজান মাসের রোজাগুলো সঠিকভাবে পালন করতে পারেন, সে জন্য সব সময় আল্লাহর কাছে এভাবে দোয়া করতে হবে, ‘হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমাকে তুমি পছন্দও করো, অতএব আমাকে ক্ষমা করো।’ দোয়ার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর ঘনিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে ও তাঁর উষ্ণ পরশে ধন্য হতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ...বিস্তারিত

দোয়া’ শব্দের অর্থ প্রার্থনা করা, আহ্বান করা, কোনো কিছু পাওয়ার জন্য আকুতি-মিনতি করা প্রভৃতি। দোয়া হচ্ছে আল্লাহর সঙ্গে বান্দার কথোপকথনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। ...বিস্তারিত

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১