শিরোনাম

টাকা গুনতে গিয়েই বিপদে পড়লেন সরকারি অফিসার

স্টাফ রিপোর্টার : | রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 250 বার

টাকা গুনতে গিয়েই বিপদে পড়লেন সরকারি অফিসার। ঘুষের টাকার মধ্যেই মেশানো ছিল বিশেষ ধরনের রাসায়নিক। এর পরই এজি বেঙ্গলের অডিট অফিসার বিমলকুমার পাঠককে শনিবার গভীর রাতে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন শাখা। খবর এবেলার।

ভারতের উত্তর দিনাজপুর জেলা শাসক আয়েষা রানি জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্পের অডিট করতে জেলা পরিষদে আসেন অফিসার বিমলকুমার পাঠক। এই প্রকল্পটির বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয় জেলার ব্লকগুলোকে। সেই হিসাবে ব্লকে অডিট করতে গিয়ে আধিকারিদের কাছে মোটা টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নজরে আসার পরেই জেলা শাসক বিষয়টি দুর্নীতি দমন শাখাকে জানালে শনিবারই দুর্নীতি দমন শাখার ডিএসপি পদমর্যাদার এক আধিকারিকের নেতৃত্বে পাঁচজনের বিশেষ দল রায়গঞ্জে পৌঁছায়।


চাকুলিয়া ব্লকের ক্যাশিয়ারের মাধ্যমে ওই আধিকারিকের কাছে খামবন্ধ অবস্থায় নগদ ২০ হাজার টাকা পাঠানো হয়। ওই খাম ও টাকায় দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা ফেনপথ্যালিন পাউডার মাখিয়ে দেন। অভিযুক্ত ওই অফিসারের হাতে ২০ হাজার টাকা দেওয়ার সাথে সাথে দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। উদ্ধার হয় ঘুষের টাকা।

দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ওই পাউডার পানির সংস্পর্শে এলেই তা গোলাপি রঙের হয়ে যায়। অভিযুক্ত বিমলকুমার পাঠক টাকা গোনার পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার হাতে এবং টাকা ও খামে পানি ছিটিয়ে দেন দুর্নীতি দমন শাখার অফিসাররা। পানি পড়তেই হাত, টাকায় গোলাপি রঙ ফুটে ওঠে। কোনো অজুহাত দেয়ারও সুযোগ পাননি অভিযুক্ত বিমলবাবু।

দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, “আমরা জানতাম হাতে পাওয়ার পরেই ঘুষের টাকার অঙ্ক মিলিয়ে দেখে নিতে ওই অডিট অফিসার তা গুনে নেয়ার লোভ সামলাতে পারবেন না। সেই কারণেই আমরা নোটে ওই পাউডার লাগিয়ে রেখেছিলাম। ঘটনাস্থলেই ঘুষ নেয়ার অভিযোগটি আমরা প্রমাণ করে দিয়েছি। তাকে জেরা চলছে। শনিবার রাতেই তাকে কলকাতা নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’’

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১