শিরোনাম

সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের দৌড়-ঝাপ শুরু

২১ অক্টোবর জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার : | শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 309 বার

২১ অক্টোবর জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন

তিনদফা পেছানোর পর আগামী ২১ অক্টোবর শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি এস.আর সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক এস.এম. জকির হোসাইন স্বাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সম্মেলনের এই নতুন তারিখ ঘোষনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনের আগে জেলা ছাত্রলীগের আর কোন ইউনিটের কমিটি না করার জন্য জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে ঘোষিত তারিখ আগামী ২১ অক্টোবর সম্মেলন হবে কিনা এই শংকাও রয়েছে পদপ্রত্যাশী নেতাদের মধ্যে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দফায় দফায় সম্মেলন পেছানোর কারনে ইতিমধ্যেই অনেক ছাত্রনেতার বয়স পেরিয়ে গেছে। অনেকের পেরিয়ে যাওয়ার অবস্থা। এই অবস্থায় ঘোষিত তারিখে সম্মেলন না হলে আরো কয়েকজনের বয়সও পেরিয়ে যাবে।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২০১৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি জেলা ছাত্রলীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের প্রায় বছরখানেক পরে ১৭৩ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই কমিটির মেয়াদ পার হয়ে গেছে।
এদিকে সম্মেলনের তারিখ ঘোষনার পর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে চাঙ্গাভাব ও উচ্ছাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের অনুসারীদের নিয়ে দল বেঁধে যাচ্ছেন উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাদের বাড়ি বাড়ি। কেউ কেউ জেলা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতাদেরকে ম্যানেজ করারও চেষ্টা করছেন। দলীয় নেতাদের দোয়া নিতে তাদের বাড়িতে যাচ্ছেন। কেউ কেউ কাঙ্খিত পদ পেতে ঢাকায় গিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতাদের পেছনেও ঘুর ঘুর করছেন অনেকে। পদপ্রত্যাশী নেতাদের সমর্থনে প্রতিদিন শহরে মোটর সাইকেল র‌্যালি হচ্ছে। ব্যস্ত সময় পার করছেন সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীরা।
জেলা ছাত্রলীগের একাধিক সূত্র জানায়, আগামী সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়ে প্রায় দেড় ডজন ছাত্রনেতা দীর্ঘদিন ধরে মাঠে কাজ করছেন।
সম্মেলনে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মিনহাজ মামুন, আকরামুল ইসলাম আকরাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মোঃ তাজুল ইসলাম আপন, মেহেদী হাসান লেলিন, মোঃ মোমিন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হোসেন রুবেল, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন শোভন ও ছাত্রনেতা রোদোয়ান আনসারী রিমো।
সাধারণ সম্পাদক পদে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন,দপ্তর সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ইউনুছ ভূইয়া রিপন, শহর ছাত্রলীগের আহবায়ক মিকাঈল হোসেন হিমেল, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান মায়া, কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসমত সিফাত, ছাত্রলীগ নেতা কাজী আশিকুর রহমান, নাজমুল হোসেন আক্তার ও সামসুল আরেফিন রাফাত এর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে কয়েকজন ছাত্রনেতা জানান, শেষ পর্যন্ত সম্মেলনের আগে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

পদপ্রত্যাশী একাধিক ছাত্রনেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, সম্মেলনে উপজেলা ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সম্পূর্ন গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কমিটি গঠন করা হবে-এমনটিই আশা করছেন তারা। তারা বলেন, ভোটের মাধ্যমে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলে পদপ্রত্যাশি কারো মনে কোন ক্ষোভ থাকবেনা। ভোটের ফলাফল তারা মেনে নেবেন। তারা বলেন, সম্মেলনে যারাই প্রার্থী হবেন তাদের ছাত্রত্ব ও বয়স থাকতে হবে। কোন অছাত্রকে নেতা বানিয়ে দিলে তাকে কেউ মেনে নেবেনা। জাল সার্টিফিকেট ব্যবহার করে কেউ যাতে দলের নেতা হতে না পারেন সে বিষয়টি খেয়াল রাখার জন্য দাবি জানিয়েছেন পদপ্রত্যাশী নেতারা।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০