শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেনারেল হাসপাতালে তিন মাসে ৩২২জন প্রসূতির স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসব

১১ সিনিয়র নার্সকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের শুভেচ্ছা উপহার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি | সোমবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২২ | পড়া হয়েছে 88 বার

১১ সিনিয়র নার্সকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের শুভেচ্ছা উপহার

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে গত তিন মাসে ৩২২ জন প্রসূতি নারী স্বাভাবিকভাবে (নরমাল ডেলিভারী) সন্তান প্রসব করেন।

এর মধ্যে গত ডিসেম্বর মাসে ১০৯জন, নভেম্বর মাসে ১০৫ এবং অক্টোবর মাসে ১০৮জন প্রসূতি স্বাভাবিকভাবে তাদের সন্তান প্রসব করেন।

গত ডিসেম্বর মাসে ১০৯জন প্রসূতিকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় তাদের সন্তান প্রসব করায় হাসপাতালের ১১জন সিনিয়র নার্সকে হাসপাতালের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়।


রোববার ২রা জানুয়ারি, ২০২২ দুপুরে হাসপাতালের শহীদ ডাঃ মিলন হলরুমে ১১ সিনিয়র নাসর্কে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ ওয়াহীদুজ্জামান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ রানা নুরুস শামস, ডাঃ হিমেল খাঁন, ডাঃ ফৌজিয়া আখতার, ডাঃ আইরিন হক, ডাঃ জিনান রেজা, ডাঃ শারমিন হক, ডাঃ লুৎফুর নাহার, ডাঃ শামীমা রহমান, ডাঃ ফাইজুর রহমান ফায়েজ, ডাঃ আক্তার হোসেন, ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ডাঃ তৌহিদ আহমেদ, ডাঃ খোকন দেবনাথ, ভারপ্রাপ্ত উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক গীতা রানী সাহা প্রমুখ।

শুভেচ্ছা উপহার পাওয়া ১১জন সিনিয়র স্টাফ নার্স হলেন, আয়েশা আক্তার, নেহেরা আক্তার, মর্জিনা খাতুন, মর্জিনা বেগম, স্মৃতি রানী রায়, ববিতা রানী পাল, কোহিনুর বেগম, শিরিন আক্তার, সবিতা রানী দাস, শাহনাজ বেগম ও সোনিয়া বেগম।
তাদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন সিনিয়র স্টাফ নার্স আয়েশা আক্তার, দ্বিতীয় হয়েছেন নেহেরা আক্তার ও মর্জিনা খাতুন ও তৃতীয় হয়েছেন মর্জিনা বেগম ও স্মৃতি রানী রায়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গাইনী ও স্ত্রী রোগ বিষয়ক সিনিয়র চিকিৎসক (সিনিয়র কনসালটেন্ট) ফৌজিয়া আখতারের নেতৃত্বে ছয়জন নারী চিকিৎসক দলের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে কর্মরত ১১ জন সিনিয়র স্টাফ নার্স প্রসূতি নারীদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় (নরমাল ডেলিভারী) সন্তান প্রসবের কাজটি করেন। ওই ১১ জন সিনিয়র স্টাফ নার্স গত ডিসেম্বর মাসে ১০৯জন, নভেম্বর মাসে ১০৫ এবং অক্টোবর মাসে ১০৮জন প্রসূতির স্বাভাবিকভাবে তাদের সন্তান প্রসব করান।

শুভেচ্ছা উপহার পাওয়া সিনিয়র স্টাফ নার্স স্মৃতি রানী রায় বলেন, যে কোন কাজের স্বীকৃতি পেলে কাজের উৎসাহ বাড়ে। তিনি বলেন, নভেম্বর ও অক্টোবর মাসেও আমি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসব করিয়ে প্রথম হয়েছি। শুভেচ্ছা উপহার দেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের গাইনী ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ (সিনিয়র কনসালটেন্ট) ফৌজিয়া আখতার বলেন, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবে সেবিকাদের উদ্বুদ্ধ করতেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদেরকে শুভেচ্ছা উপহার করে অনুপ্রাণিত করেন। গত দুই মাস শুধু মাত্র তিন জন সিনিয়র নার্সকে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়। কিন্তু ডিসেম্বর মাসে ১১ জন সিনিয়র নার্সকে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই প্রতিটি প্রসূতি তাদের সন্তান প্রসবের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চলে আসুক। তিনি বলেন, বাড়িতে ডেলিভারি করা একেবারেই ঠিক নয়। এতে মা ও শিশুর যে কোন সমস্যা হতে পারে, এমনি মৃত্যুও হতে পারে। আমাদের হাসপাতালে ২৪ ঘন্টা নরমাল ডেলিভারির ব্যবস্থা আছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১