শিরোনাম

স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর নবীনগরে নির্মিত হল স্মৃতি স্তম্ভ : আজ উদ্বোধন

নবীনগর প্রতিনিধি : | বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮ | পড়া হয়েছে 371 বার

স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর নবীনগরে নির্মিত হল স্মৃতি স্তম্ভ : আজ উদ্বোধন

স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর  এই প্রথমবার  নবীনগর উপজেলার  খারঘর গণকবরে নির্মিত হয়েছে স্মৃতি স্তম্ভ। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফয়জুর রহমান বাদল এর সহযোগীতায় ও জেলা পুলিশের উদ্যোগে স্মৃতি স্তম্ভ নির্মিত হয়েছে। আজ ২৯ মার্চ দৃষ্টিনন্দন এই স্মৃতি স্তম্ভটি উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনী  অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফয়জুর রহমান বাদল। উদ্বোধন করবেন জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএম (বার)।

স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর এই প্রথমবার নবীনগরে কোন  গণকবরে স্মৃতি স্তম্ভ তৈরি হয়েছে। এজন্য  মুক্তিযোদ্ধা ও গ্রামবাসী কে আবেগাল্পুত করেছে। এখন থেকে সকল দিবসে গণকবরের স্থায়ী স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পন করবেন তাই গ্রামবাসী উচ্ছ্বাসিত। তিতাস নদীর মোহনায় পাগলা নদীর পাড়ে ঐতিহাসিক স্থানে রুপ নিয়েছে গণকবরটি। স্মৃতি  স্তম্ভের ডিজাইনার প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান মনির জানান, ১৯৭১ সাল ও মুক্তিযোদ্ধে বীর শহীদদের স্বরণে স্তম্ভটি ‘৭১’ আকৃতির নির্মাণ করা হয়েছে। এর নিচে স্থাপন করা হয়েছে গণকবরে শায়িত  ৪৩জন শহীদের নাম ফলক।


বড়াইল ইউপি চেয়ারম্যান মো: জাকির হোসেন বলেন, কোন প্রকার স্মৃতি স্তম্ভ না থাকলেও প্রতি বছর সরকারিভাবে প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, যোদ্ধাহত শহীদ পরিবার বর্গ সহ নানা পেশার মানুষ খারঘর গণকবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে আসছিল। স্থানীয় সংসদ সদস্য  ফয়জুর রহমান বাদল এর সহযোগীতায় ও  জেলা পুলিশের উদ্যোগে স্মৃতি স্তম্ভ নির্মিত হওয়ায় গ্রামবাসী আনন্দিত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নে পাগলা নদীর তীরবর্তী খারঘর গ্রাম। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর, আশুগঞ্জ, ভৈরব ও  নবীনগর উপজেলা সদরের সঙ্গে সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় মুক্তিযুদ্ধে এ অঞ্চলটিতে হানাদারদের আক্রমনের ভয় খুব একটা ছিল না। মুক্তিযোদ্ধারা এখানে অবস্থান নিয়ে কয়েকটি অপারেশন চালায় নবীনগর, আশুগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। বিষয়টি এক পর্যায়ে জেনে যায় পাকিস্থানি হানাদাররা। ১৯৭১ সালে ১০ অক্টোবর বরবর  পাক বাহিনী নদী পথে জাহাজে এসে এলোপাথাড়ি আক্রমন করে। এ সময় হত্যা করে ৪৩ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে। তাদের নির্যাতনের শিকার হয়ে আহত হয় ১শ ২৭জন। নিহতের একই সাথে গণকবর দেওয়া হয় এই স্থানটিতে। এরপর থেকে প্রতি বছর ১০ অক্টোবর খারঘর গণহত্যা দিবস পালিত হয়ে আসছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮