শিরোনাম

ডাকাত ও পুলিশের মধ্যে গুলিবিনিময়ের পর

সরাইলে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : | বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৬ | পড়া হয়েছে 614 বার

সরাইলে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ডাকাত ও পুলিশের মধ্যে গুলিবিনিময়ের পর অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ৪টি বল্লম, ২টি ছোঁড়া, ১টি তালা ও রড কাটার কার্টার উদ্ধার করা হয়। গত বুধবার গভীর রাতে উপজেলার অরুয়াইল ও পাকশিমুল ইউনিয়নের মাঝামাঝি স্থানে তিতাস নদী থেকে তাদেরকে  গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ডাকাতরা হচ্ছেন সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মরহুম মীর হোসেনের ছেলে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার মানিক মিয়া-(৩৬), একই ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামের সাহেদ আলীর ছেলে হানিফ মিয়া-(২৫), উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের দুবাজাইল গ্রামের জুরু মিয়ার ছেলে আজিজুর রহমান-(২৫), জেলার নাসিরনগর উপজেলার বড়নগর গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে দ্বীন ইসলাম-(৩০), নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার মাইজচর গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে শিমুল মিয়া-(২১), একই গ্রামের মন্নাফ মিয়ার ছেলে বিল্লাল-(৩৫) ও মোঃ ছাদেক মিয়ার ছেলে বাচ্চু মিয়া-(৩৫)। এ ঘটনায় ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে সরাইল থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ জানায়, গত বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে সংঘবদ্ধ একটি ডাকাতদল অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে নৌকায় করে তিতাস নদী দিয়ে সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের লম্বাহাটি গ্রামে প্রবেশ করার সময় স্থানীয় লোকজন বাঁধা প্রদান করলে ডাকাতরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করে। লোকজনের চিৎকার ও গুলির শব্দ শুনে অরুয়াইল ফাঁড়ি থেকে একদল পুলিশ নৌকায় করে এসে ডাকাতদেরকে ধাওয়া করে। এ সময় ডাকাত ও পুলিশের মধ্যে শুরু হয় গোলাগুলি। পুলিশ ২৪ রাউন্ড এবং ডাকাতরা ১০/১২ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে।
পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুলিশ অস্ত্র-শস্ত্রসহ ৭ ডাকাতকে আটক করে। বাকীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আহত ৭ ডাকাতকে রাতেই সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পুলিশ ডাকাতদের নৌকা থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ৪টি বল্লম, ২টি ছোঁড়া, ১টি তালা ও রড কাটার কার্টার উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, ডাকাত দলের সর্দার মানিকের বিরুদ্ধে সরাইল থানায় ৮টি, কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্ট্রগ্রাম থানায় ১ টি সহ দেশের বিভিন্ন থানায় ডজন খানেক ডাকাতি মামলা রয়েছে।
এ ব্যাপারে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রূপক কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ডাকাতদের শুক্রবার আদালতে প্রেরন করা হবে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য ডাকাতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।  তিনি বলেন, এ ঘটনায় ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি ডাকাতদেরকে গ্রেপ্তার করার সময় ২৪ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ার কথা স্বীকার করেন।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০