শিরোনাম

সরাইলে চলছে জুয়ার মহোৎসব

সরাইল প্রতিনিধি : | রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | পড়া হয়েছে 165 বার

সরাইলে চলছে জুয়ার মহোৎসব

জেলার সরাইলে জুয়ার সম্রাট খ্যাত মতি মিয়ার (৩৫) নেতৃত্বে চলছে জুয়ার মহোৎসব। তার বিরুদ্ধে রয়েছে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ। স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ কারো বাধা-নিষেধই মানছে না মতি।
সূত্রের তথ্যে প্রকাশ, উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বিটঘর গ্রামের মুসা মিয়ার ছেলে মতি নিয়মিতই পরিচালনা করছেন জুয়া। আর ওরস বা মেলা পেলে তিনি হয়ে পড়েন উম্মাদ। তাকে সহযোগিতা করেন গ্রামের প্রভাবশালী কিছু সর্দার মাতব্বর। গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার প্রয়াত ইছহাক কাজীর ওরসকে কেন্দ্র করে রাতভর চলেছে জুয়া। সরেজমিনে স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিবছর ইছহাক কাজীর ভক্তবৃন্দরা ৩ দিনের ওরস পালন করে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার থেকে সেখানে শুরু হয়েছে ওরস। শেষ দিন ছিল গত শুক্রবার। ওই গ্রামের জুয়ার সম্রাট খ্যাত মতি মিয়া প্রথম দিন থেকেই ওরসে রাতভর জুয়া বসিয়ে ব্যবসা করেছেন। গত শুক্রবার শেষ দিন হওয়ায় মতির নেতৃত্বে মাজারের পাশের খালি মাঠে ৫-৬টি জুয়ার ঘর বসিয়ে দেদার চলেছে। আশেপাশে ঘুরেছেন কমিটির কিছু লোক। আর কিশোর ও যুবক বয়সের ছেলেরা খেলেছে জুয়া। অন্যান্য জায়গা থেকে জুয়ার বোর্ডে ভীর বেশী। কয়েক মিনিটের মধ্যে টাকা পয়সা খুইয়ে বিষন্ন চেহারায় বেরিয়ে যায় অনেকে। আবার কেউ কেউ মুচকি হেসেছে। জুয়া পরিচালনাকারীরা ছিলো খুবই ফুরফুরা মেজাজে। মতির এ কাজে সহযোগিতা করেছেন প্রয়াত ইছহাক কাজীর ভাতিজা প্রভাবশালী সর্দার রব্বান মিয়া (৪২)। এ ছাড়া নূরুল হক (৫২), হারুন মিয়া (৩৫) ও কবির মিয়া (৩৬) সহ আরো কিছু লোক জুয়ায় সহযোগিতা করে আসছেন। কমিটির কয়েকজনকে ম্যানেজ করেই মতি জুয়া পরিচালনা করে থাকেন।
সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মো. নিয়াশাহ বলেন, শুরু থেকেই জুয়ায় বাধা দিয়ে আসছি। শুক্রবার রাতে জুয়ার ঘর ছিঁড়ে ফেলেছিলাম। জুয়ারিরা উল্টো আমাকে হুমকি দেয়। কারণ স্থানীয় অনেক প্রভাবশালী লোক জুয়ারিদের পক্ষে থাকে। সরাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কামরুজ্জামান বলেন, বিটঘর গ্রামের ৩ দিনের ওরসের বিষয়টি আমাদেরকে কেউ অবহিত করেনি।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১