শিরোনাম

ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

সরাইলে ক্রেতা-বিক্রেতাকে ৫২ হাজার টাকা জরিমানা

সরাইল প্রতিনিধি | মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২০ | পড়া হয়েছে 155 বার

সরাইলে ক্রেতা-বিক্রেতাকে ৫২ হাজার টাকা জরিমানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে শপিংমল খোলা রাখার দায়ে ৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ৬জন ক্রেতাকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এ এস এম মোসা সরাইল বিকাল বাজারের (বকুলতলা) শপিংমলের ভেতরে অভিযান চালিয়ে দোকানের ভেতর মহিলা ক্রেতা প্রবেশ করিয়ে কাপড় বিক্রির সময় হাতে নাতে ধরে ফেলেন দোকানীকে। পরে বিক্রেতাদের সাথে ৬ মহিলা ক্রেতাকেও জরিমানা করেন আদালত।


উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসন, ইউপি চেয়ারম্যান ও সরাইল বাজার কমিটির সভার সিদ্ধান্তে সকল শপিংমল বন্ধ রাখার আদেশ দিয়েছেন প্রশাসন। এ আদেশকে অমান্য করে গত ৩-৪ দিন ধরে সরাইল সদরের সকল শপিংমলে অভিনব কায়দায় বেচা-কেনা করছিল। অতি উৎসাহি হয়ে অনেক মহিলা শিশু বাচ্চাদের নিয়ে সার্টার টেনে দোকানের ভেতরে ৬-৭ জন এক সাথে বসে মালামাল ক্রয় করেন। এতে করোনা সংক্রমনের সম্ভাবনা খুব বেশী।

গত মঙ্গলবার সকালে আচমকা অভিযান চালান নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এ এস এম মোসা। এ সময় সকল ব্যবসায়ি তড়িগড়ি করে দোকানের সাটার ফেলে বন্ধ করে দেন। আর ভেতরে আটকা পড়েন অগণিত মহিলা ক্রেতা। দীর্ঘ সময় দোকান খুলে দিলে ডজনের ডজন মহিলা বের হতে থাকে। এ সময় বিসমিল্লাহ গার্মেন্টস্, ছাইমা গার্মেন্টস্, সরাইল সুজ সাকিব ফ্যাশনকে ১০ হাজার করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। জোনাকি সুজ ও লিটনের কাপড়ের দোকানকে জরিমানা করেন ৫ হাজার ৫’শ টাকা। আর মহিলা ক্রেতা শারমিনকে ২’শত, নাজমিনকে ২’শত, আখিঁ আক্তারকে ২’শত, হাফছা ও শিরিনকে ৫’শ করে মোট ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া নকল জনসন ক্রিম রাখার দায়ে আরমান ষ্টোরকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এএসএম মোসা বলেন, সামান্য লাভের কথা চিন্তা করে গোটা সরাইলকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া যাবে না। বেপরোয়া ক্রেতা-বিক্রেতাকে ঠেকাতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১