শিরোনাম

সরাইলে অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষা সভায় হট্রগোল

ডেস্ক ২৪ | মঙ্গলবার, ০১ মার্চ ২০১৬ | পড়া হয়েছে 752 বার

সরাইলে অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষা সভায় হট্রগোল

সরাইল প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির মোট সদস্য ১৫ জন। উপস্থিত ছিল মাত্র ৭ জন। কোরাম হয়নি। তারপরও শুরু হয় সভা। সভায় শিক্ষা কর্মকর্তার অনিয়মের প্রতিবাদ করায় শুরু হয় হট্রগোল। জৈষ্ঠ্যতার সংজ্ঞা পরে দেওয়া হবে। কমিটির অজান্তেই গোপনে সহকারি শিক্ষকদের বদলির বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা। আর এর প্রতিবাদে স্বাক্ষর না করে সভা বয়কট করেছেন ৪ সদস্য। অভিযোগ রয়েছে কমিটির অনেক সদস্যকে সভার আগে পত্র দেয় না। কৌশলে সভার দিন সকাল বেলা অফিসের ৩য়/৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীর মাধ্যমে ফোনে দাওয়া দেওয়া হয়। গতকাল দুপুর ১টায় উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভায় এ ঘটনা ঘটেছে। সভা বয়কটকারী সদস্যবৃন্দ ও অফিস সূত্রে জানা যায়, গত রোববার ছিল সরাইল প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভা। মোট সদস্য ১৫ জন। উপস্থিত ছিল মাত্র ৭ জন সদস্য। তারপরও কোরামের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সভা শুরু করেন শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ আবুল খায়ের। সভার শুরুতেই নিয়মের মধ্যে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে চলে যান নির্বাহী কর্মকর্তা। সেই সাথে জরুরী কাজের কথা বলে সভা ত্যাগ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান। সভার শুরুতেই কলেজের প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান লাভলু জৈষ্ঠ্যতার সংজ্ঞা জানতে চান। সেই সাথে সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এ বিষয়ে ব্যাখ্যাও চান তিনি। লাভলু বলেন, প্রয়োজনে আপনি বদলির বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেন। গত সভায় (২৫ জানুয়ারী) ৬টি আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে মাত্র ১টি বিষয়ে আলোচনা করলেন কেন? আমাদেরকে না দেখিয়ে মনগড়া মত রেজুলেশন লিখে গোপনে ডিপিও অফিসে পাঠিয়ে দিলেন কেন? এমন সব প্রশ্নে কিছুটা বিব্রত হন শিক্ষা কর্মকর্তা। ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, জৈষ্ঠ্যতার সংজ্ঞা পরে দেওয়া হবে। প্রধান শিক্ষকদের বদলির বিষয়ে শিক্ষা কমিটির কোন এখতিয়ার নেই। যা করার আমি করব। পরে সভায় শুরু হয় হট্রগোল। কর্মকর্তার দাপুটে বক্তব্যে উত্তেজিত হয়ে পড়েন সদস্যরা। কমিটির সদস্য নাজমা বেগম, জিয়াউর রহমান লাভলু, সৈয়দ আলী আবদাল ও মোঃ আইয়ুব খান সভা বয়কট করেন। নাজমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, সহকারি শিক্ষক বদলি করে। আমাদেরকে কিছু বলে না। জানায়ও না। রেজুলেশন ও কোন সময় দেখায় না। কিছু শিক্ষক সাথে নিয়ে তিনি যা ইচ্ছা তাই করেন। শিক্ষা কমিটির সভা আজ (গতকাল)। অথচ আমাকে কোন পত্র দেননি। আজ (গতকাল) সকালে ৩য় শ্রেণির একজন কর্মচারী ফোন করে সভার কথা বলেছে। এ গুলোর অর্থ কি? জিয়াউর রহমান লাভলু ও সৈয়দ আলী আবদাল বলেন, সভায় আসেন না। এমন সদস্যদের স্বাক্ষর তিনি পরে নিয়ে থাকেন। গোপনে রেজুলেশন করেন। কিছু শিক্ষক দালালের মাধ্যমে শিক্ষা কর্মকর্তা সকল অনিয়ম দূর্নীতি করে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ আবুল খায়ের বলেন, তারা ৪ জন স্বাক্ষর না করে চলে গেছেন। কমিটির ৫০ ভাগ সদস্য উপস্থিত না থাকলে কোরাম হয় না। কমিটির মোট সদস্য কতজন? আর ৭ জন নিয়ে সভা শুরু করলেন কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, রাখেন রেজিষ্ট্রার খাতা দেখে সব বলতেছি। এ রিপোর্ট শেষ করা পর্যন্ত তিনি আর কিছু জানাননি।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০