শিরোনাম

সারা বছর পানি বন্দী থাকা

সরাইলের শাখাইতি ভোট কেন্দ্রটি পরির্বতনের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার | বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১ | পড়া হয়েছে 117 বার

সরাইলের শাখাইতি ভোট কেন্দ্রটি পরির্বতনের দাবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর (উত্তর) ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের (শাখাইতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ভোট কেন্দ্রটি নিয়ে আপত্তি তুলেছেন সেখানকার ভোটাররা। সারা বছর পানিবন্দি থাকা শাখাইতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রটি পরিবর্তন করে পানিশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থানান্তরের জন্য দাবি জানিয়েছেন তারা।

এই ভোট কেন্দ্রটি স্থানান্তর করে পানিশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপন করতে গ্রামবাসীর পক্ষে শাখাইতি গ্রামের মৃত মস্তু মিয়ার ছেলে মোঃ ছাদু মিয়া সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন কমিশনের সচিবের কাছে পৃথক তিনটি আবেদন করেছেন।


আবেদনে ছাদু মিয়া বলেন, শাখাইতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি গ্রামের একপাশে অবস্থিত। বিদ্যালয়টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে নির্মিত, বিদ্যালয়ে কোন মাঠ নেই, সারা বছর পানিবন্দী থাকা এই স্কুলে যাওয়ার কোন রাস্তা নেই। বিদ্যালয়ের পাশের বাড়ির রাস্তা দিয়ে স্কুলে যেতে হয়। বিদ্যালয়টিতে পর্যাপ্ত কক্ষ নেই। বিদ্যালয়টিতে কক্ষ আছে মাত্র ৪টি। ভৌগলিককারনসহ নানা কারণে নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা ও আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকজনের এখানে দায়িত্ব পালন করা কঠিন।

অপর দিকে পানিশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়টি এলাকার মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত। ১৯৯৪ সালের আগ পর্যন্ত পানিশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়টি ইউপি নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এই বিদ্যালয়ে রয়েছে বিশাল মাঠ ও ২৫টি কক্ষ। উপজেলা পরিষদ ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই কেন্দ্রটি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই বিদ্যালয়ে রয়েছে নির্বাচনী কার্যক্রমে নিয়োজিত ব্যক্তিদের থাকার সু-ব্যবস্থা।

এদিকে সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন কমিশনের সচিবের কাছে আবেদন দেয়ার পর ইউনিয়নের তিন নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার সুমন মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন গত তিন-চারদিন ধরে খালের পানি নিষ্কাষনের জন্য সেচ পাম্প বসিয়েছেন। ওই জনপ্রতিনিধির বাড়ি শাখাইতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে। তিনি কেন্দ্রটি পূর্বের জায়গায় রাখার জন্য চেষ্টা তদবির করছেন।

এ ব্যাপারে সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আরিফুল হক মৃদুলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু এ বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার, সেহেতু আবেদনটি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে ভোট কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশের পর এটি বদলের সুযোগ আছে কি-না আমি নিশ্চিত নই।

এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়টি আমি পরিদর্শন করেছি। বিদ্যালয়ে দুটি ভবন। বিদ্যালয়টি পানিবন্দী থাকলেও একটি ভবনে ভোট দেয়ার সুযোগ আছে। তিনি বলেন, বর্ষার সময় কেন্দ্রটির সামনে পানি থাকে। এখন পানি শুকিয়ে যাবে। নির্বাচনের বিধিতে বলা আছে, যদি নদী ভাঙ্গনসহ প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগে কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্থ না হয়ে থাকে তাহলে আগের কেন্দ্রই বহাল রাখতে হবে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০