শিরোনাম

সন্ত্রাস- জঙ্গীবাদ দমনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) শীর্ষক আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খাঁন

সন্ত্রাসের অঙ্কুর যেন গজাতে না পারে, সেজন্য মাতা-পিতাকে সদা সতর্ক থাকতে হয়

| বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮ | পড়া হয়েছে 142 বার

সন্ত্রাসের অঙ্কুর যেন গজাতে না পারে, সেজন্য মাতা-পিতাকে সদা সতর্ক থাকতে হয়

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) ১৪৪০ হিজরী উদযাপন উপলক্ষে সন্ত্রাস- জঙ্গীবাদ দমনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) শীর্ষক আলোচনা সভা, দোয়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২১ নভেম্বর বুধবার সকাল ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপ- পরিচালক মোঃ আঃ ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন সাবেক উপ পরিচালক মোঃ আবদুল মালেক।


অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওঃ জুনায়েদ আল ইসাহকী।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন দাতিয়ারা জামে মসজিদের খতিব মাওঃ মোস্তাক আহমেদ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হযরত মাওঃ আবদুল কাইয়ুম শাহপুরী।

এছাড়াও প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিষয় ক্বেরাত, হামদ্- নাত, কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খাঁন বলেন, প্রধান আমাদের প্রিয়নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমন হয়েছিল অন্ধকার পৃথিবীকে আলোর পথে নিয়ে আসার জন্য। মহান আল্লাহর পরিকল্পনায় তিনি এলেন এবং পৃথিবীর কদর্যতাকে বদলে দিলেন। কায়েম করলেন শান্তি, সমৃদ্ধি ও অনুপম মানবসভ্যতা। তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাস- জঙ্গীবাদ দমনে আমরা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শের আলোকে এই সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ-নির্দেশনা নিতে প্রয়াস পাব। এ প্রসঙ্গে মহানবীর (সা.) একটি হাদীস খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেছেন, নিজের ক্ষতি করতে পারবে না, অপরের ক্ষতিও না। আরেক বাণীতে তিনি বলেন, অপরের জন্য তাই পছন্দ করবে, যা নিজের জন্য কর। আমরা যদি আমাদের সমাজের পথভ্রষ্ট লোকদের মহানবীর এই প্রক্রিয়ায় মানসিক পরিচর্যা করতে পারি তাহলে আশা করা যায় তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে আবার স্বাভাবিক জীবনধারায় ফিরে আসবে। তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসের অঙ্কুর যেন গজাতে না পারে, সেজন্য মাতা-পিতাকে সদা সতর্ক থাকতে হয়। উঠতি বয়সে সমাজের নানান ধরনের চরিত্রের মানুষের সাথে পরিচয় ঘটে ছেলে-মেয়েদের। তখন অভিভাবকদের উচিত তাদেরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া। এ সময়টিতে তাদেরকে সমাজ গঠনমূলক কাজে উৎসাহিত করা। কারণ তারুণ্যের স্বাভাবিক আবেদন অনুযায়ী যুবকরা কিছু করতে চায়। ভাল কাজে নিয়োজিত না হতে পারলে খারাপের দিকে চলে যাবে এটাই স্বাভাবিক। যুব সমাজ বিপথগামী হয় প্রধানত সঙ্গদোষে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘মানুষ তার সহচরের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়। কাজেই তোমাদের কেউ বন্ধুত্ব করার সময় ভালো করে দেখে-শুনে বন্ধুত্ব করবে।’

তাই আমাদের কাজ করে যেতে হবে। সন্ত্রাস কোন কাজ নয়, এটা হচ্ছে অপকর্ম। ক্রুদ্ধ হয়ে শক্তি প্রদর্শন করা কোনো বীরত্ব নয়। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ক্রোধের সময় নিজেকে সংযত রাখতে পারে সেই প্রকৃত বীর।’

একজন মুসলমান যদি প্রকৃতই তাঁর নবীর অনুসারী হয়, তাহলে অন্যায়ভাবে সে কোন মানুষ এমনকি পশুপাখিরও এতটুকু ক্ষতি করতে পারে না।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০