শিরোনাম

সন্ত্রাসও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ বিষয়ক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

| শনিবার, ০৩ মার্চ ২০১৮ | পড়া হয়েছে 163 বার

সন্ত্রাসও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ বিষয়ক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগ সমূহের ব্র্যান্ডিং, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের অর্জিত সফলতা ও উন্নয়ন ভাবনা, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য সমূহ (এস ডি জি), ভিশনঃ ২০২১ এর লক্ষ্য ও অর্জনসমূহ এবং সন্ত্রাসও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ বিষয়ক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রধান অতিথির বক্তব্যে কবীর হোসেন, অধ্যক্ষ, হাজী আব্দুল কুদ্দুস স্কুল এন্ড কলেজ বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে সকলকে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, যেহেতু দেশের অর্ধেক নারী তাই নারীর ক্ষমতায়ন ব্যতীত দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় বিধায় সরকার নারীর ক্ষমতায়নের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতকরা ৬০ ভাগ কোটা শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে এবং নারীর ক্ষমতায়ন সর্ম্পকে বিশদ আলোচনা করেন।


বিশেষ অতিথি ছিলেন, মোঃ নাছির উদ্দিন, মোঃ আবুল বাশার, সিনিয়র শিক্ষক, হাজী আব্দুল কুদ্দুস স্কুল এন্ড কলেজ, মোঃ মমিনুল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক, হাজী আব্দুল কুদ্দুস স্কুল এন্ড কলেজ, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র শিক্ষক, হাজী আব্দুল কুদ্দুস স্কুল এন্ড কলেজ, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। মোঃ বাহাউদ্দিন, সহকারী পরিচালক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ র্কাযালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া; (স্কাইপে সংযুক্ত)।

গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নারী উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব বক্তব্যে জেলা তথ্য কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র দাস বলেন, রূপকল্পের বাংলাদশ একটি অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল ও উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন। যেখানে নিশ্চিত হবে সামাজিক ন্যায়বিচার, নারীর অধিকার ও সুযোগের সমতা, আয়-ব্যয় ও দারিদ্র্য নেমে আসবে ন্যূনতম পর্যায়ে, সবার জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত হবে, ব্যাপকভাবে বিকশিত হবে মানুষের সৃজনশীলতা ও সক্ষমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পাবে, হ্রাস পাবে সামিাজিক বৈষম্য, প্রতিষ্ঠা পাবে জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট বিপর্যয় মোকাবেলার সক্ষমতা। তথ্য প্রযুক্তিতে বিকশিত হয়ে সেই বাংলাদশ পরিচিত হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে। বঙ্গবন্ধু শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। তাঁর উদ্যোগে যুদ্ধবিধ্বসÍ স্বাধীন বাংলাদেশে ৩৬ হাজার ১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়।সে সময় সরকারি শিক্ষকের পদমর্যাদা লাভ করেন দেশের ১লাখ ৫৭ হাজার ৭২৪ জন শিক্ষক। এই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা সহায়তা র্কমসূচি বাস্তবায়নের বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। যার সুফল লাভ করছে শিক্ষার্থীরা। গত ৬বছরে ২৬,১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ করা হয়েছে। কিছু বিপথগামী ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে নিরীহ মানুষ হত্যা করে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। যারা এসব বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তারা প্রকৃত মুসলিম নয়। কেননা মানুষ হত্যা কোন ধর্মই সমর্থন করে না। তিনি বলেন, সরকার সন্ত্রাস ও জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। অচিরেই এদেশ থেকে জঙ্গিগোষ্ঠি সমূলে বিতাড়িত হবে। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের জঙ্গি কার্যক্রম থেকে সতর্ক থাকার পরার্মশ দেন। তিনি তার বক্তব্যে আরো বলেন, শিশু মৃত্যুর হার ও মাতৃমুত্যুর হার হ্রাসে এমডিজি পুরস্কার ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী অর্জন করেন,আমরা ২০২১সালে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নতদেশে পরিনত হবো এবং অর্থনৈতিক সাফল্যসূচক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১