শিরোনাম

লাকির পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করলেন জেলা প্রশাসক

মনিরুজ্জামান মনির | বুধবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ | পড়া হয়েছে 396 বার

লাকির পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করলেন জেলা প্রশাসক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিণবেড় গ্রামে গত ২৯ নভেম্বর আকস্মিক অগ্নিকান্ডে এসএসসি, এইচএসসি পাশের সার্টিফিকেট, বই খাতাসহ সম্মান ২য় বর্ষের প্রবেশ পত্রও পুড়ে ছাই হয়ে যায় লাকি রানী দাসের। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায় লাকি ও তার পরিবার। সম্মান ২য় বর্ষে পরীক্ষা দেয়া নিয়ে তৈরি হয় অনিশ্চিয়তা। সেই লাকির পরীক্ষা নেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।

জানা যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় গত ২৯ নভেম্বর সঞ্জিত দাসের বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডে দুটি ঘরসহ নগদ টাকা,কৃষি পণ্য, বসতঘর,স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্রসহ শিক্ষার্থী লাকী রানী দাসের প্রবেশপত্র ও বই খাতা পুড়ে যায়। এই ঘটনায় ওই দিন সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমা আশরাফী, সহকারী কমশিনার (ভূমি) তাহমিনা আক্তার।


গত ২ ডিসেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমা আশরাফী লাকি দাসকে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হন। লাকির (৭ ডিসেম্বর সমাজ বিজ্ঞান ও ১০ ডিসেম্বর অর্থনীতি) দুটি পরীক্ষা দেয়া নিয়ে অনিশ্চিয়তার কথা শুনেন জেলা প্রশাসক। তখন তিনি লাকিকে পরীক্ষার বিষয়ে দুশ্চিন্তা না করতে বলেন। লাকির পুড়ে যাওয়া সকল কাগজপত্র বোর্ড থেকে উঠিয়ে আনতে এবং পরীক্ষা সুষ্ঠ ভাবে দিতে সকল সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমা আশরাফী।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁনের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, লাকির শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল কাগজপত্র পুড়ে যাওয়াটা খুব যন্ত্রণাদায়ক। সে খুব হতাশায় ছিল। তার পরীক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসনে পক্ষ থেকে সকল সহযোগিতা করা হবে।
প্রসঙ্গত: ২৯ নভেম্বর হরিপুর ইউনিয়নের হরিণবেড় গ্রামের আকস্মিক অগ্নিকান্ডে সব কিছু পুড়ে নিঃস্ব হয় লাকির পরিবার। লাকি হরিপুর ইউনিয়নের হরিণবেড় গ্রামের রনু দাসের মেয়ে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১