শিরোনাম

মাহে রমযানের গুরত্ব ও ফযিলত

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | বৃহস্পতিবার, ১৭ মে ২০১৮ | পড়া হয়েছে 264 বার

মাহে রমযানের গুরত্ব ও ফযিলত

রমজানের মাসের রোজা রাখা ইসলামের তৃতীয় ফরজ।
রমযান মাস হচ্ছে আল্লাহ তায়ালার দয়া ও অনুগ্রহের মাস।
রমযান মাস হচ্ছে বান্দার গোনাহ মাফের মাস।
রমযান মাস হচ্ছে, দোযখের আগুন থেকে মুক্তির মাস।
রমযান মাস হচ্ছে অধিক নেকি অর্জন করার মাস।
রমযান মাস হচ্ছে, আল্লাহ ওয়ালা হওয়ার মাস।
রমযান হচ্ছে আত্মশুদ্ধির মাস।
আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, হে মুমিমগণ!
তোমাদের ওপর (রমযানের) রোযা ফরয করা হয়েছে,
যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের
ওপর। যাতে তোমরা মুত্তাকী হতে পার। (আল-কুরআন)।

ক্স হযরত মুহাম্মদ (সা.) ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি
ঈমানের সাথে ও সওয়াবের উদ্দেশ্যে রোজা রাখে,
আল্লাহপাক তার পিছনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেন।( বুখারি শরীফ) ।


ক্স হযরত মুহাম্মদ (সা.) ইরশাদ করেন, “রমযান মাস এলে
বেহেশতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হয়, দোযখের
সাতটি দরজা বন্ধ করে দেয়া হয় এবং অবাধ্য
শয়তানকে শিকলে আবদ্ধ করা হয়। (বুখারি শরীফ)।
ক্স হাদীসে কুদসীসে আল্লাহ তা’য়ালা
বলেছেন- আমলনামায় নেক কাজের সওয়ার দশ গুণ
থেকে পর্যন্ত লেখা হয় কিন্তু রোযা বিশেষভাবে
আমারই জন্য, আমি নিজেই এর বদলা দান করব।(বুখারী শরীফ)।
ক্স হযরত মুহাম্মদ (সা.) ইরশাদ করেন, প্রত্যেক
জিনিসের দরজা আছে, আর ইবাদতের দরজা হল রোযা।

ক্স হযরত মুহাম্মদ (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি
কোনো রোযাদারকে ইফতার করাবে সে ব্যক্তি
রোযাদারের সমতূল্য সওয়াব পাবে। আর এতে
রোযাদারের সওয়াবের একটুও কমতি হবে না। ( তিরমিযী শরীফ) ।

ক্স হযরত মুহাম্মদ (সা.) ইরশাদ করেন, “রমযানের প্রথশ
দশ দিন রহমতের, দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাতের এবং
শেষ ১০ দিন জাহান্নাম থেকে মুক্তির জন্য। ( বায়হাকী)।

ক্স হযরত মুহাম্মদ (সা.) ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি
রোজা রেখেও গোনাহের কথাবার্তা ও কাজ-কর্ম
ত্যাগ করলো না সে শুধু খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে
উপবাসই থাকলো, সুতরাং আল্লাহ রাব্বুল
আলামীনের দরবারে এর কোন মূল্য নেই। ”
ক্স হযরত মুহাম্মদ (সা.) ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি
শরীয়ত সম্মত কারন ব্যতীত রমযানের একটি রোযা
ছেড়ে দিলো, সে যদি সারা জীবনও রোযা রাখে,
তবুও ওই রোযাটির ফযীলত লাভ করতে পারবে না।

রোযাদারের জন্য সাহরী খাওয়া ও ইফতার করা
সুন্নত। তেমন কিছু না থাকলে সামান্য খাদ্য খেলে
বা কেবল পানি পান করলেও সাহরী-ইফতারের
সুন্নাত আদায় হয়ে যাবে।
ইফতারের পূর্বে দু’আ
কবূলের মুবারক সময়।এ সময় বান্দাহ আল্লাহর নিকট যে দো’আ করবে তা কবুল হবে।
রোযাদারের বিশেষ যে কয়টি আমল করা অতি প্রয়োজন তা হলো
অধিক পরিমানে কালেমায়ে তাইয়্বিাহ পাঠ করা।
অধিক পরিমানে তাওবা ইস্তিগফার করা।
আল্লাহ পাকের নিকট বেহেশত পাওয়া এবং দোযখ
থেকে মুক্তির জন্য এই দু’আ বেশি বেশি পড়া
যতো অধিক সম্ভব কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা।
অধিক হারে দরূদ শরীফ পাঠ
করা।

তারাবীহ সহ সকল নামায আদায়ের ব্যাপারে খুব বেশি
যতœশীল হওয়া।
সাধ্যনুযায়ী দান-খয়রাত করা।
খুব বেশি দু’আ করা। কেননা, এই মাসে
রোযাদারের দু’আ ব্যর্থ হয় না।

লেখক
শিক্ষক
জামিয়া কোরআনিয়া সৈয়দা সৈয়দুন্নেছা ও কারিগরি শিক্ষালয়
কাজীপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০