শিরোনাম

মাহে রমজান

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | শুক্রবার, ১৮ মে ২০১৮ | পড়া হয়েছে 196 বার

মাহে রমজান

আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআন শরীফে সিয়াম সম্পর্কে ঘোষণা করেন, হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর যেন তোমরা পরহেজগারি অর্জন করতে পারো।
(সুরা বাকারা, আয়াত-১৮৩)।

সিয়াম আরবি শব্দ। যার আভিধানিক অর্থ বিরত থাকা। ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায় সিয়াম বলা হয় সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে পানাহার ও স্ত্রী সম্ভোগ থেকে বিরত থাকা।


হাদিস শরিফে সিয়াম বা রোজার অসংখ্য ফযিলত সম্পর্কে বলা হয়েছে।

হযরত আবু হুরাইরা (রা:) হতে বর্ণীত, রাসুল (সা:) বলেছেন, মানব সন্তানের নেক আমলের সওয়াব বাড়ানো হয় প্রত্যেক আমলের দশগুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত। আল্লাহ তায়ালা বলেন কেবল তা রোজা ছাড়া। কারণ রোজা হচ্ছে আমার জন্য এবং আমি ই তার প্রতিদান দেবো কেননা রোজাদার আমার জন্য ই তার যৌনকামনা ও আহার ত্যাগ করে। (আল হাদিস)।

হজরত আবু হুরাইরা (রা:) হতে বর্ণীত, রাসুল (সা:) এরশাদ করেন, রোজা হলো জাহান্নামের আগুন থেকে বাচার জন্য ঢাল স্বরুপ। তাই যখন তোমাদের রোজার সময় হয় তখন অশ্লীল কথাবার্তা বলোনা। যদি কেউ গালিগালাজ করে অথবা ঝগড়া করে তবে তাকে বলে দাও, ভাই আমি রোজাদার। (বুখারি, মুসলিম)।

হজরত আবু সাইদ খুদরী (রা:) হতে বর্ণীত, রাসুল (সা:) এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একটি রোজা রাখে তার এই একটি দিনের বদৌলতে আল্লাহতায়ালা তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তুর বছরের দূরত্বে সরিয়ে রাখবেন। (বুখারী)।

রমজানের রোজা হলো গুনাহ মাফ করাবার ও মাগফিরাত লাভ করার একটি সুনিশ্চিত ব্যবস্থা।

আল্লাহতায়ালা আমাদের সকলকে রমজান মাসের পরিপূর্ণ রহমত বরকত দান করুন, আমিন।

লেখক
মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান
শিক্ষক
জামিয়া কোরআনিয়া সৈয়দা সৈয়দুন্নেছা ও কারিগরি শিক্ষালয়
কাজীপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১