শিরোনাম

মাহে রমজান

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | সোমবার, ২১ মে ২০১৮ | পড়া হয়েছে 190 বার

মাহে রমজান

রমজান মাসের এবাদত সমূহের অন্যতম এক এবাদত হচ্ছে সাহরী।সাহরী খাওয়া সুন্নাত। হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা:)হতে বর্ণীত, রাসুল(সা:) এরশাদ করেছেন তোমরা সাহরী খাও. কেননা সাহরীতে বরকত রয়েছে।

রাসুল(সা:)এরশাদ করেছেন, এক ঢোক পানি অথবা একটি খেজুর বা কিসমিসের দানা হলে ও তোমরা সাহরী খাও। কারণ যারা সাহরী খায় তাদের উপর আল্লাহতায়ালার রহমত বর্ষিত হয় এবং ফেরেশতাগণ তাদের জন্য মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করতে থাকেন।


আল্লাহতায়া রমজান মাসে সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত পানাহারের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহতায়ালা বলেন আর তোমরাপানাহার কর যতক্ষণ রাত্রির কৃষ্ণ রেখা হতে উষার শুভ্র রেখা স্পষ্ট রুপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়,(সুরা বাকারা আয়াত ১৮৭)।

রাসুল(সা:) সাহরী খাওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
আমর ইবনে আস(রা:)হতে বর্ণীত হাদিসে রাসুল(সা:)এরশাদ করেন, আমাদের ও আহলে কিতাব (ইহুদী ও খ্রিষ্টানদের) রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরী খাওয়া(মুসলিম শরিফ)।

যারা রোজা রাখেন, তাদের রোজা যেন ইহুদী নাসারাদের রোজার মতো না হয় সে জন্য তাদের অবশ্যই সাহরী খেতে হবে।সাহরী খাওয়ার দ্বারা ৩টি উপকার হয়। যেমন (১)সাহরী খাওয়ার দ্বারা সুন্নাত পালন করা হয়।(২)ইহুদী নাসারাদের রোজার সঙ্গে মিলিত না হয়ে যাওয়া।(৩)সাহরী খাওয়ার দ্বারা বরকত লাভ করা হয়।
সাহরীর সময়ের আগেই যদি কেউ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন,অথবা সাহরী না খেয়েই রোজা পালন করেন, যদি ও তাদের রোজা হয়ে যাবে কিন্তু সাহরীর সওয়াব, ফযিলত ও বরকত থেকে বঞ্চিত থাকবে।

সুতরাং আল্লাহতায়ালা আমাদের সকলকে সাহরীর পূর্ণ বরকত, ফযিলত ও সওয়াব লাভ করে সুন্নাত তরিকায় সিয়াম পালন করার তাওফিক দান করুণ, আমিন।

লেখক
মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান
শিক্ষক
জামিয়া কোরআনিয়া সৈয়দা সৈয়দুন্নেছা ও কারিগরি শিক্ষালয়
কাজীপাড়া,ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১