শিরোনাম

মাহে রমজান

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান | শনিবার, ১৯ মে ২০১৮ | পড়া হয়েছে 231 বার

মাহে রমজান

সওম এর শাব্দিক অর্থ বিরত থাকা। ইসলামী শরিয়তে আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে নিয়ত সহ সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও সহবাস থেকে বিরত থাকাকে সওম বা রোজা বলা হয়।

ইসলামের মৌলিক পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম একটি হল সাওম বা রোজা। রাসুল (সা:) বলেছেন, পাঁচটি ভিত্তির উপর ইসলাম প্রতিষ্ঠিত। ( ১) এ সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহতায়ালা ছাড়া অন্যকোন মাবুদ নেই, এবং মোহাম্মদ (সা:)আল্লাহর রাসুল। (২) নামাজ কায়েম করা। (৩)যাকাত আদায় করা। (৪) হজ্ব করা। (৫)রমজান মাসের রোজা রাখা। (বুখারী ও মুসলিম)।


কেবলমাত্র পানাহার থেকে বিরত থাকার নাম ই রোজা নয়। রোজা অবস্থায় অশ্লীলতা, মিথ্যা কথা, পরনিন্দা, ঝগড়া বিবাদ সহ সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে ও বিরত থাকতে হবে।

এক হাদিসে আল্লাহর রাসুল মোহাম্মদ (সা:) এরশাদ করেন, তোমাদের কেউ রোজা রেখে অশ্লীল কথাবার্তা ও ঝগড়া বিবাদে যেন লিপ্ত না হয়ে যায়। কেউ গালমন্দ ও ঝগড়া করলে ও শুধু বলবে ভাই, আমি রোজাদার।

আবু হুরাইরা (রা:) হতে বর্ণীত এক হাদিসে রাসুল (সা:) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের নিয়তে রমজানের রোজা রাখবে তার পূর্বেকার গুনাহ সমূহ মার্জনা করে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি রাতের বেলায় এবাদতে লিপ্ত রবে তার গুনাহ সমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (বুখারী ও মুসলিম)।

এক হাদিসে উল্লেখ রয়েছে যে, রোজাদারদের মুখের গন্ধ কস্তূরীর সুঘ্রাণ হতে ও উত্তম।

রাসুল (সা:) এরশাদ করেছেন, রোজা ছাড়া আদম সন্তানের প্রত্যেকটি কাজ ই তার নিজের জন্য। তবে রোজা আমার জন্য, আর আমি নিজে ই তার প্রতিদান দেব। (আল হাদিস)।
রোজা জাহান্নাম থেকে বাচার জন্য ঢাল স্বরুপ। (আল হাদিস)।

লেখক
মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান
শিক্ষক
জামিয়া কোরআনিয়া সৈয়দা সৈয়দুন্নেসা ও কারিগরি শিক্ষালয়
কাজীপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১