শিরোনাম

মাদ্রাসা ছাত্র হৃদয় খুন ও রাহাত জুনায়েদ হত্যা চেষ্টা মামলা : সিআইডিতে স্থবির : রেহাই পেতে আসামীদের অপচেষ্টা

ষ্টাফ রিপোর্টার : | বুধবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | পড়া হয়েছে 130 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার কিতাব বিভাগের ছাত্র, শহরের পূর্ব মেড্ডা নিবাসী ইউনুছ মিয়ার কিশোর পুত্র দেলোয়ার হোসেন হৃদয় (১৫) হত্যা এবং তার পক্ষের রাহাত হোসেন (১৮) ও জুনায়েদ মিয়া (১৮) হত্যা চেষ্টা মামলাটি থানা পুলিশের আওতা থেকে বর্তমানে সিআইডি’র আওতায় তদন্তাধীন থেকে স্থবির হয়ে পড়েছে। নিহতের ভাই মোঃ জাকির হোসেন বাদী হয়ে ২৯ জনকে আসামী উল্লেখ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় দায়েরকৃত মামলায় তাৎক্ষণিক ২ জনসহ পরে মোবাইল ফোন ট্র্যাক ও বিভিন্ন কৌশলে ৮ জনকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করে থানার পুলিশ। এই ৮ জনের মধ্যে ৫ জন আবার শিশু ও বিভিন্ন বিবেচনায় কোর্ট থেকে জামিন পেয়ে বর্তমানে জেল হাজতের বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাকী ২১ জন এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
অনুসন্ধানে এবং মামলার বাদীর অভিযোগে জানা যায়, আসামীদের কয়েকজন বিভিন্ন উছিলায় বিদেশে পালানোর চেষ্টার পাশাপাশি তাদের কেহ কেহ পুলিশের তৈরী চার্জশীট (অভিযোগপত্র) হতে নিজের নাম কাটাতে অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এতে হত্যাকারী ও তাদের সহযোগিদের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন বিক্ষোভকারীদের প্রত্যাশা হতাশায় পরিণত হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে মামলার বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের সিআইডি শাখায় কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক আলমগীর এর সাথে মোবাইল ফোন এ যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এই মুহুর্তে তিনি ছুটিতে রয়েছেন। মামলার বর্তমান হাল অবস্থা সম্পর্কে কোন কিছু জানাতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পূর্ব মেড্ডায় ওয়াজ মাহফিলের পাশে স্থাপিত অস্থায়ী লটারী / মোবাইল ফোনের দোকানদারীকে কেন্দ্র করে গত বছরের ৫ নভেম্বর রবিবার দিবাগত রাতে এলাকার মসজিদ ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সিবগাতুল্লাহ, তাহসিন ও সহযোগিরা মাদ্রাসা ছাত্র দেলোয়ার হোসেন হৃদয়, রাহাত হোসেন, জুনায়েদ মিয়াকে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে দলবদ্ধভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য ছুরিকাঘাত করে। তাদের আর্তচিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে যাওয়া লোকজন গুরুতর অবস্থায় দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার লক্ষ্যে নেয়ার পর ডিউটি ডাক্তার ফাইজুর রহমান পরীক্ষা নিরিক্ষা করে দেলোয়ার হোসেন হৃদয়কে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত ঘোষণা করেন এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর রাহাত ও জুনায়েদকে ডিএমসিএইচ-এ রেফার করেন। তারা সেখানে চিকিৎসা নেয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তখন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান “হত্যাকা-ে জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। তদন্তে যাদের নাম আসবে, সবাইকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে” বলে সাংবাদিকদের জানান। এহেন অবস্থায় ঘটনার শিকারদের পরিবার সকল আসামীর গ্রেফতার এবং সঠিক বিচার পাবার আশায় প্রহর গুণছে।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১