শিরোনাম

বাঞ্ছারামপুরে শ্রমিকের পরিবর্তে ভেকুমেশিন দিয়ে কাজ করিয়ে ১৪ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ

মাটিকাটাল শ্রমিকের কাজ ভেকুমেশিন দিয়ে করিয়ে পুকুর চুরি !

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি : | সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | পড়া হয়েছে 182 বার

মাটিকাটাল শ্রমিকের কাজ ভেকুমেশিন দিয়ে করিয়ে পুকুর চুরি !

বাঞ্ছারামপুরের দরিয়াদৌলত ইউনিয়নে সম্প্রতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাজের আওতায় (মাটিকাটাল) ৪০ দিনের কর্মসূচীর আওতায় ৫টি প্রকল্পে ১৪লাখ টাকার কাজ শ্রমিকের পরিবর্তে আধুনিক ভেকুমেশিন দিয়ে ২লাখ টাকায় করিয়ে বাদবাকি ১২ লাখ টাকা লুটপাট করার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগকারী বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহÑসভাপতি মো. ইসমাইল সরকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগে বলেন, দরিদ্র মাটিকাটাল দিয়ে কাজ না করিয়ে ৫টি প্রকল্পের সভাপতি ইউপি মেম্বার ও চেয়ারম্যান সাশ্রয়ী মুল্যে ভেকুমেশিন দিয়ে রাস্তার মাটি ভরাট করিয়ে নিবন্ধিত মাটিকাটাল শ্রমিকদের বঞ্চিত করে দুর্নীতি করা হয়েছে।


এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রিপন, প্রকল্প সভাপতি লিপি বেগম বলেন, অভিযোগ সত্য নয়। ভেকুমেশিন নয়, সরকারি নিয়ম মতো মাটিকাটাল দিয়েই রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।

২ দফা সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, প্রকল্প কর্মকর্তারা বেশীরভাগ কাজ ভেকুমেশিন দিয়ে করিয়েছেন। মাটিকাটাল দিয়ে ৪০ দিনের কর্মসূচীর কাজ নয়, কাবিখা’র কাজ করানো হয়েছে। সাংবাদিকদের কাবিখা’র কাজ দেখিয়ে ৪০ দিনের প্রকল্পের কাজ বলে দাবী করা হয়। বিভিন্ন মাটিকাটাল শ্রমিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের যদি কাজই দেয়া না হবে, ভেকুমেশিন দিয়ে কাজ করালে আমাদের দিয়ে ব্যাংকের একাউন্ট করানো হলো কেন? আমরা কি সারা বছর বেকার থাকবো ?

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মফিদুল আলম বলেন, প্রকল্পে ভেকুমেশিন ব্যবহার করার কোন সুযোগ নেই । বিষয়টি তদন্ত করে তারপর বিল দেয়া হবে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, কাজ তো হয়ে গেছে। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

এই পুকুরচুরির ঘটনা ফাঁস হয়ে গেলে অভিযোগকারী ইসমাইল হোসেন জানান, তাকে উক্ত অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য চেয়ারম্যানের লোকজন হুমকি দিচ্ছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১