শিরোনাম

মর্যাদার সাথেই ফিরিয়ে নিতে হবে রোহিঙ্গাদের: জাতিসংঘ প্রতিনিধি

বিশেষ প্রতিনিধি : | মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | পড়া হয়েছে 145 বার

মর্যাদার সাথেই ফিরিয়ে নিতে হবে রোহিঙ্গাদের: জাতিসংঘ প্রতিনিধি

জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সিপ্পো বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মর্যাদার সাথেই ফিরিয়ে নিতে হবে মিয়ানমারকে। এর বিকল্প অন্য কিছু হতে পারে না। এ নিয়ে জাতিসংঘ গুরুত্বসহকারে কাজ করছে। সমস্যা সমাধানে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। জাতিসংঘ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

সোমবার বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে এসে মিয়া সিপ্পো এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাওয়ার অর্জনে বাংলাদেশকে আগাম অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে উত্তরণ-পরবর্তী সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুতির পরামর্শ দেন ইউএনডিপির এই আবাসিক প্রতিনিধি।


সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে আলোচনায় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, মানবিক কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন। এর পাশাপাশি আপদকালীন বাসস্থান, নিরাপত্তা, খাদ্যসহ মানবিক মৌল অধিকারও নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সাথে তাদের মর্যাদার সাথে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে মিয়ানমারের সাথে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলছে। এ ছাড়া জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এ বিষয়ে কূটনৈতিক তৎপরতাও চালিয়ে যাচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম। এর আগে সফলভাবে এমডিজি অর্জন করায় জাতিসংঘ বাংলাদেশকে পুরস্কৃত করেছে। এসডিজি অর্জনেও এখন সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলেও যাতে জিএসপি প্লাস সুবিধা অব্যাহত থাকে সেজন্য অনেক আগ থেকেই বাংলাদেশ কাজ করেছে। জিএসপির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি (আরটিএ) এবং মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করার বিষয়েও জোর দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে শ্রীলংকার সাথে এফটিএ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে এফটিএর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

এ সময় দেশের রাজনীতি সঠিক পথে আছে কি-না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রাজনীতি সঠিক পথেই এগোচ্ছে। ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে জ্বালাও-পোড়াও করে বিএনপি। তাতে লাভ হয়নি। সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছে। গণতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করলে কেউ বাধা দেবে না। বিপথগামী ও সহিংস রাজনীতি টেকসই অর্থনীতির জন্য সহায়ক নয়, তা আন্দোলনকারীরাও বুঝে নিয়েছে। ফলে এ মুহূর্তে দেশের রাজনীতি স্থিতিশীল আছে। অর্থনীতিও গতিশীলতার মধ্যদিয়ে এগোচ্ছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১