শিরোনাম

মরক্কোর বিদায়

স্পোর্টস ডেস্ক : | বুধবার, ২০ জুন ২০১৮ | পড়া হয়েছে 189 বার

মরক্কোর বিদায়

ম্যাচের ৪ মিনিটে হেড থেকে করা রোনালদোর একমাত্র গোলেই মরক্কোকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দিলো পর্তুগাল। রাশিয়া বিশ্বকাপে রোনালদোকে থামানো হয়তো দুষ্কর হয়ে উঠছে! স্পেনের বিপক্ষে ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করে দলকে শেষ সময়ে সমতা এনে দেন এই ‘পর্তুগিজ যুবরাজ’ রোনালদো। এরপর বুধবারের প্রথম ম্যাচে মস্কোয় মরক্কোর বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচের শুরুতেই হেড থেকে দুর্দান্ত এক গোল করেন সিআরসেভেন। তার গোলে আফ্রিকার দেশ মরক্কোর বিপক্ষে ১-০ গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে সান্তোষের শীষ্যরা। ওই গোলেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল। আর বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ঘণ্টা বেজে যায় মরক্কোর।
ম্যাচের ৪ মিনিটের মাথায় কর্ণার পায় পর্তুগাল। বক্সের মাঝামাঝি শট নেন পর্তুগিজ মিডফিল্ডার মোতিনহো। তার কর্ণার থেকে জোরালো হেড করেন রোনালদো। দলকে এনে দেন ১-০ গোলের লিড। এই গোল করে রাশিয়া বিশ্বকাপ নিজের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে ৪ গোল করে ফেলেছেন রোনালাদো। অথচ এর আগে তিন বিশ্বকাপে ১৩ ম্যাচ খেলে তার গোল ছিল মাত্র ৩টি। এছাড়া ৮৫ গোল করে আন্তর্জাতিক ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেছেন পর্তুগিজ যুবরাজ।

এরপর ৮ মিনিটের মাথায় নিজের নামের পাশে জোড়া গোল লেখার সুযোগ তৈরি হয় রোনালদোর সামনে। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদ তারকা সুযোগটি নিতে পারেননি। মরক্কোর ডিফেন্সে আটকে যান রোনালদো। ১১ মিনিটের মাথায় আক্রমণ ফেরত দেয় মরক্কো। পর্তুগালে জন্ম নেওয়া মরক্কোর ফুটবলার ভালো একটি আক্রমণ করেন। কিন্তু গোল শোধ করতে পারেননি তিনি। ১৯ মিনিটে ইউরো চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালকে আবার ভয় দেখায় মরক্কো। কিন্তু সেটাও গোল দিতে পারেনি তারা।


ম্যাচের ২৭ মিনিটে মরক্কো পেনাল্টির আবেদন জানায়। কিন্তু রেফারি তা নাকোচ করে দেয়। ৪০ মিনিটে পর্তুগাল ব্যবধান দ্বিগুন করার সবচেয়ে বড় সুযোগটা পায়। রোনালদো দারুণ এক বল ভলি করে পাস দেন গুইডেসকে। তিনি শটও নিয়েছিলেন। কিন্তু গোলরক্ষকে একা পেয়েও গোলবারে দাঁড়ানো মোহাম্মাদির সোজাসুজি মারেন তিনি। যোগ করা সময়ে মরক্কো একটি ফ্রি কিক পায়। তা থেকে গোলের সুযোগও তৈরি করে তারা। কিন্তু গোল করতে না পারায় বাঁচা-মরার ম্যাচে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে মরক্কো।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কর্ণার পায় পর্তুগাল। ফন্টে দারুণ লাফিয়ে উঠে হেড নেন। কিন্তু তার নেওয়া হেডটা ওপর দিয়ে যায়। ৫১ মিনিটে রোনালদো ফ্রি কিক থেকে আবার গোল করে এবারের বিশ্বকাপে পঞ্চম গোল করার সুযোগ পান। কিন্তু ব্যর্থ হন গোল করতে। ৫৫ মিনিটে আক্রমণ ছিল মরক্কোর। ৫৭ মিনিটে তো পর্তুগাল গোলরক্ষক প্যাট্রিক দারুণ এক সেভ করে দলকে গোল খাওয়ার হাত থেকে বাঁচান।

শেষ ৩০ মিনিটে একের পর এক আক্রমণ করে গেছে মরক্কো। কিন্তু তাদের ভাগ্যে লেখা ছিল প্রথম দুই ম্যাচ হেরে বিদায়। আর তাই হয়তো গোল পায়নি তারা। ম্যাচের ৬০ মিনিটে এবং ৬৮ মিনিটে ভালো আক্রমণ করে মরক্কো। কিন্তু গোল হয়নি। ৭৮ মিনিটে মরক্কো সহজ একটি সযোগ নষ্ট করে। ৮১ মিনিটে আবার সুযোগ আছে ডায়ারের।

৮৯ মিনিটের মিসের জন্য কপাল চাপড়াতে পারে পর্তুগাল। যোগ করা সময়ে বেনেসিয়া গোল শোধ করার শেষ সুযোগটি পান। কিন্তু গোলের ওপর দিয়ে মারেন তিনি। মরক্কো নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইরানের কাছে ১-০ গোলে হারে। এরপর পর্তুগালের কাছে একই ব্যবধানে হেরে রাশিয়া বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে তাদের।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১