শিরোনাম

বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ২ কিলোমিটার রাস্তা

ভোগান্তি ১০ হাজার মানুষের

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : | বুধবার, ০৪ অক্টোবর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 541 বার

বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাঞ্চারামপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সফিরকান্দি-সেকেরকান্দি সড়কটি সংস্কারের অভাবে চলার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছে ১০ হাজার মানুষ।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলীর কার্যালয় ও পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, এ পৌরসভাটি ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের চলাচলের একমাত্র সড়ক হলো সফিরকান্দি-সেকেরকান্দি সড়ক। ২০০৯ সালে সড়কটি পাকা করে উপজেলা এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। ওই সড়ক দিয়ে সফিরকান্দি, নতুনহাটি, সরিষারচর, সেকেরকান্দি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন সড়কটি সংস্কার করা হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সফিরকান্দি-সেকেরকান্দি সড়কটি বাঞ্ছারামপুর-কড়িকান্দি ফেরিঘাট সড়কের সংযোগ সড়ক হিসেবে সফিরকান্দির পশ্চিমপাড়া থেকে দক্ষিণ দিকে প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক বিস্তৃত। এটি গিয়ে শেষ হয়েছে সেকেরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে। সড়কটির পুরো দুই কিলোমিটারেই পিচ উঠে গেছে। সরিষারচর-নতুনহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে রাস্তা ভেঙে প্রায় তিন ফুট গভীর খাদ হয়ে গেছে। দুই কিলোমিটার দীর্ঘ ওই সড়কের প্রায় ২০টি স্থানে ভেঙে গেছে। বেহাল দশার কারণে এক বছর ধরে ওই সড়ক দিয়ে কোনো রিকশা, ইজিবাইক, অটোরিক্সা চলাচল করে না। সরিষারচর-নতুনহাটি এলাকায় মাত্র একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতিও কমে গেছে বলে বিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে।
৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওসমান গণি বলেন, রাস্তা পাকা করার সময়ই নিম্নমানের কাজ হয়েছিল। এখন রাস্তা ভেঙে এমনই বেহাল অবস্থা হয়েছে যে গাড়ি চলা তো দূরের কথা, হাঁটাও যায় না। তিনি আরো জানান, গ্রামবাসী কিছুদিন পরপর ইট-বালু ফেলে ভাঙা অংশ ভরাট করেন। কিন্তু কিছুদিন পরই বৃষ্টিতে তা সরে যায়। পৌর মেয়র, উপজেলা প্রকৌশলীকে অনেকবার রাস্তাটি সংস্কারের কথা বলেও কাজ হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সরিষারচর গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, আমাদের এলাকার একমাত্র সড়ক হলো সফিরকান্দি-সেকেরকান্দি সড়ক। খানাখন্দে সড়কটির বেহাল দশার কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গেছে। খারাপ রাস্তার কারণে আমরা মোটরসাইকেল নিয়েও বাড়ি থেকে বের হতে পারছি না। পৌরসভা কিংবা উপজেলা কেউই আমাদের দুর্দশার কথা ভাবে না।’
উপজেলা প্রকৌশলী এ বি এম খোরশেদ আলম জানান, ‘২০০৯ সালে পাকা করার পর রাস্তাটি আর সংস্কার করা হয়নি। সড়কের অধিকাংশ অংশই ভেঙে গেছে। চার মাস আগে রাস্তাটি সংস্কার করতে একটি প্রকল্প এলজিইডি অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।’
পৌর মেয়র খলিলুর রহমান জানান, উপজেলা এলজিইডি থেকে একটি প্রকল্প দিয়ে সড়কটি সংস্কারের কথা রয়েছে। তবে রাস্তাটি চলাচরের উপযোগী রাখতে শিগগিরই ভাঙা অংশ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০