শিরোনাম

ভুয়া সনদে ভোটার হতে এসে ফাঁসলেন নারী

বিশেষ প্রতিনিধি : | রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 91 বার

ভুয়া সনদে ভোটার হতে এসে ফাঁসলেন নারী

ভুয়া সনদ নিয়ে ভোটার হতে এসে ধরা পড়লেন এক নারী। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জিজ্ঞাসাবাদে বিষয়টি বেরিয়ে আসে। শেফালী রানী নামের ওই নারীকে পরে শের-ই-বাংলা নগর পুলিশের হাতে তুলে দেন ইসি কর্মকর্তারা।

রোববার (২৯.১০.২০১৭) দুপুরের দিকে ওই নারী ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অণুবিভাগ বা এনআইডি শাখায় ভোটার হতে আসেন। প্রায় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল এক্সপার্ট। কিন্তু ফটো তোলার সময়ে বাদ সাধেন শেফালী রাণী। এতেই সন্দেহ হয় এনআইডি অণুবিভাদের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের। জেরার মুখে তিনি অসংলগ্ন কথা বলতে থাকেন। এক পর্যায়ে জানান, তিনি ভারতে অনেক দিন থেকেছেন। এখন ঢাকায় একটি সরকারি হাসপাতালে নার্সের চাকরি করেন। তার এহেন বক্তব্যে সন্দেহের উদ্রেক হয়।


এনআইডি কর্মকর্তারা তাকে জেরার মাধ্যমে নিশ্চিত হন, শেফালী এসএসসি পাশের যে সনদ নিয়ে ভোটার হতে এসেছেন তা আসল নয়, বরং কম্পিউটারে স্ক্যান করে বানানো। তবে সনদে উল্লেখিত নাম ও রেজাল্ট ঠিক আছে। এরপর সার্টিফিকেটে উল্লেখিত স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে কর্মকর্তারা নিশ্চিত হন সনদটি তার নয়। এজন্যই তিনি ফটো তুলতে দিতে রাজি হচ্ছিলেন না।

ওই নারী ঢাকার ধানমণ্ডিতে একটি মেসে থাকার কথা জানালেও তার কোনো মেসমেট বা রুমমেট’র যোগাযোগের কোনো মোবাইল নম্বর বা ঠিকানা দেননি। বাবা-মা, ভাই-বোনের তথ্যও দিচ্ছিলেন না। এক পর্যায়ে শের-ই-বাংলা নগর থানাপুলিশকে খবর দিয়ে শেফালিকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পুলিশ আসার পর ইসি কর্মকর্তারা তার বাড়ির ঠিকানা নিয়ে বাবা-মা ভাই-বোনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু তারাও শেফালী কোথায় চাকরি করেন, সে ব্যাপারে কিছু বলতে পারছিলেন না। কেউ বলেছেন পঙ্গু হাসপাতালে চাকরি করেন, কেউ বলেছেন পিজি হাসপাতালে।
শেফালী রাণীর বাড়ী যশোর জেলার অভয়নগরে।
শের-ই-বাংলা নগর থানা বলছে, তারা নির্বাচন কমিশন থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করবে কি না, সে সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০