শিরোনাম

ভুঁয়া কাগজপত্রে ১০০ আসামিকে জামিনে বের করেছেন

ডেস্ক | রবিবার, ২৪ জুলাই ২০১৬ | পড়া হয়েছে 519 বার

ভুঁয়া কাগজপত্রে ১০০ আসামিকে জামিনে বের করেছেন

যেকোনো মামলায় জামিন নিয়ে দিতে পারেন! উচ্চ আদালত থেকে শুরু করে নিম্ন আদালতের ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিভিন্ন কৌশলে জামিন বাগিয়ে নেন তারা।তবে জামিনের ‘মাস্টার’দের শেষ রক্ষা হয়নি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল ওই চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছেন।তারা হলেন- বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মতিন ভূঁইয়ার ছেলে আল-আমীন ভূঁইয়া প্রকাশ শিপন ও বিজয়নগর উপজেলার আব্দুল আলীমের ছেলে লিলু মিয়া প্রকাশ জাকির।গত ৩০ জুন শহরের ভাদুঘর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করার পর রিমান্ডে নেওয়া হলে ভুয়া কাগজে জামিন নেওয়ার চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য প্রকাশ করেন।রিমান্ডে আসামিদ্বয় জানান, গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত তারা ভুঁয়া কাগজপত্রে অন্তত ১০০ আসামিকে জামিনে বের করেছেন।জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,  গ্রেফতারের পর তাদের কাছ থেকে উচ্চ আদালতের দুটি ভুয়া জামিন নামা, হাসপাতালের বহির্বিভাগের ছয়টি টিকেট, পাঁচটি ভর্তি ফরম, দুটি মৃত্যু সনদ, একটি স্থানীয় দৈনিকের প্যাড ইত্যাদি উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বাদী হয়ে সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, গ্রেফতার হওয়া দুইজনকে চার দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) তাদের রিমান্ড শেষ হয়।রিমান্ডে আল-আমীন ও লিলু মিয়ার কাছ থেকে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে জামিন নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্যগুলো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে।জানা যায়, আদালত থেকে আসামিদের জামিন করাতে চক্রটি বিভিন্ন রকমের কৌশল অবলম্বন করে। এরপর তারা ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে আদালতে উপস্থাপন করে জামিন করিয়ে নেয়। বিনিময়ে হাতিয়ে নেন লাখ টাকা পর্যন্ত।রিমান্ডে গোয়েন্দা পুলিশর জিজ্ঞাসাবাদে আল-আমীন ও লিলু মিয়া জানান, চক্রটির মূল হোতা রাশেদ মুহুরি নামে এক ব্যক্তি। বিভিন্ন কাগজপত্রে সে-ই স্বাক্ষর করে থাকে। ‘কাস্টমার’ ধরে আনার কাজ করে আল-আমীন ও লিলু মিয়া। ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে দেশের বিভিন্ন আদালত থেকেই তারা অনেককে জামিন করিয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, গ্রেফতারের সময় দু’জনের কাছ থেকে পাওয়া কাগজগুলো যে ভুয়া এর প্রমাণ পাওয়া গেছে। ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে জামিন নেওয়াই চক্রটির কাজ। এ চক্রের মূল হোতা রাশেদকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০