শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিকল্প প্রার্থী মঈনই সাধারণ মানুষের আস্থা

আশুগঞ্জ প্রতিনিধি : | বৃহস্পতিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | পড়া হয়েছে 460 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিকল্প প্রার্থী মঈনই সাধারণ মানুষের আস্থা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে প্রার্থী ছিলেন নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন মঈন।

এ আসনে নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষের আস্থা বিশ্বাস, সততা, নির্ভরতা, সৎ, পরিচ্ছন্ন, যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নের দৌড়ে অপ্রতিরোধ্য ছিলেন তিনি। কিন্তু নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটগত নির্বাচনের কারণে আসনটি জোটপ্রধান আওয়ামী লীগ জোটের অন্যতম শরীক জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয়। মোঃ মঈনউদ্দিন দলের সিদ্ধান্তের প্রতি অনুগত্য থেকে মহাজোট প্রার্থীকে জিতাতে দিনরাত কাজ করেন। আওয়ামী লীগের প্রবল জনস্রোত ও বিশাল ভোট ব্যাংককে কাজে লাগিয়ে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে বর্তমান এম.পি জিয়াউল হক মৃধা নির্বাচিত হন।


১০ বছরে দুইটি উপজেলায় উল্লেখযোগ্য কোন উন্নয়নের চিত্র চোখে পড়েনি। এ নিয়ে এলাকায় রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া । এবারও মঈনউদ্দিন দলীয় মনোনয়নে দৌড়ে এগিয়ে থাকা তৃণমূলের একমাত্র আস্থাশীল প্রার্থী ছিল। জোটের কারণে দলের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ১৯৭৩ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগের হাত ছাড়া হওয়া আসনটিতে তৃণমূল থেকে এবার মঈনউদ্দিনকে নৌকা প্রতীকে দলীয় প্রার্থীর দেয়ার জোড় দাবি উঠে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩১ টি আসনে দলীয় প্রার্থী চুড়ান্ত করে চিঠি দেয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৬টি আসনে মধ্যে পাঁচটিতেই নৌকার প্রার্থী দিয়ে এবারও আসনটি জোটের জন্য রেখে দেয়।

এ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়নের চিঠি পান জিয়াউল হক মৃধার মেয়ের জামাই হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের যুব বিষয়ক উপদেষ্টা অ্যাড. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসিন্দা । দলীয় প্রার্থীকে মনোনয়ন না দেওয়ায় আওয়ামী লীগের নিশ্চিত বিজয়ের আসনটি হাত ছাড়ার আশঙ্কায় নেতাকর্মীদের মাঝে চমর হতাশা নেমে আসে। এ আসনে আওয়ামী লীগের ৬ জন বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র মনোনয়নপত্র জমা দেন।

মোঃ মঈনউদ্দিন ছাড়া তথ্যের গড়মিলের কারণে বাকি ৫ জনের প্রার্থীতা বাতিল ঘোষনা করে জেলাার রিটানিং কর্মকর্তা। এ খবরে মূহুর্তেই পাল্টে যায় ভোটের মাঠে দৃশ্যপট। এতে সাধরণ মানুষও আনন্দিত। কয়েকদিন ধরে নেতাকর্মীদের মধ্য যে হতাশা ছিল তাও দারুন ভাবে উজ্জীবিত হয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জটে মঈনউদ্দিন বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। এ নিয়ে ভোটের মাঠেও শুরু হয়েছে নতুন হিসাব-নিকাশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জোট প্রার্থী নয়, আওয়ামী লীগের একমাত্র বিকল্প প্রার্থী মাঈন উদ্নি মঈনকে নিয়েই নেতাকর্মীদের ভোটের মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষ মঈনের উপরই আস্থা রাখছে। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে অ্যাড. জিয়াউল হক মৃধা। মনোনয়নকে কেন্দ্র করে জামাই-শ্বশুরের দ্বন্দ্ব প্রকট হওয়ায় আসনটি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়। যদিও অ্যাড. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া মনোনয়নের চিঠি পাওয়ার পর আজও সরাইল-আশুগঞ্জ প্রবেশ করতে পারেনি। আগামী দুই একদিনের মধ্যেই জানা যাবে মহাজোটের প্রার্থী কে হচ্ছে। জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সর্বসম্মতি সিদ্ধান্তে আসনটি উন্মুক্ত করে দিতে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১