শিরোনাম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে মোকতাদির চৌধুরীতেই আস্থা নেতা কর্মীদের

স্টাফ রিপোর্টার : | বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮ | পড়া হয়েছে 240 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে মোকতাদির চৌধুরীতেই আস্থা নেতা কর্মীদের

আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩-(সদর-বিজয়নগর) আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম দাখিল করেছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ীর সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীসহ ১০জন মনোনয়ন প্রত্যাশী।

মনোনয়নপত্র দাখিলকরা প্রার্থীদের মধ্যে অর্ধেকের চাইতে বেশী প্রার্থীকে চেনে না এই আসনের ভোটাররা। এলাকায় তাদের কোন প্রচার-প্রচারণাও নেই। এদিকে গত বুধবার গনভবনে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতকারে বলেছেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে জরিপ চালিয়েছি। এর ভিত্তিতে মনোনয়ন দেয়া হবে। কোন প্রার্থীর প্রতি ভোটারের সমর্থন আছে, সেটা বিবেচনায় নেয়া হবে। ‘জরিপে যারা এগিয়ে থাকবেন তাদেরকে মনোনয়ন দেয়া হবে। যাকে মনোনয়ন দেব তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রার্থীর বিরোধিতা করা হলে আজীবনের জন্য দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে দলের যারা ইতোমধ্যে নির্বাচিত হয়ে আছেন তাদেরকে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হবে না।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩-(সদর-বিজয়নগর) আসনে মোকতাদির চৌধুরীকে এমপিকে নিয়েই আলোচনা নেতা-কর্মীদের। তিনিই আওয়ামীলীগের ঐক্যের প্রতিক। নেতা-কর্মীদের ভরসারস্থল।


গত ৮ বছরে সংসদীয় এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড করে তিনি বদলে দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি “ উন্নয়নের রূপকার” হিসেবেই পরিচিত।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামীলীগও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনকে শক্তভিত্তির উপর দাঁড় করিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে অতীতের যে কোন সময়ের চাইতে দল এখন ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী। দলে কোন বিভাজন নেই। দু’বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি সংসদীয় এলাকায় ৪ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছেন। নব-গঠিত বিজয়নগর উপজেলাকে সাজিয়েছেন নতুনভাবে। ইতিমধ্যেই তার নির্বাচনী এলাকা সদর ও বিজয়নগরে শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হয়েছে। তিনি নরমের ভক্ত, শক্তের যম।

২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসন থেকে উপ-নির্বাচনে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এম.পি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, আমি কথা মালায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। আমি কোন প্রতিশ্রুতি দিতে চাইনা, মেয়াদ শেষে আপনারা দেখবেন আমি কি করেছি।

তিনি তাঁর কথা রেখেছেন। ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্বাচনী এলাকার চেহারা পাল্টে দিয়েছেন। যার সুফল ভোগ করছে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী। তিনি একজন স্বপ্নবাজ মানুষ, তিনি স্বপ্ন দেখেন ও স্বপ্নের বাস্তবায়ন করেন। তার হাতের ছোঁয়ায় বদলে গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও বিজয়নগর উপজেলার ২১ ইউনিয়ন। প্রতিটি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া। ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ডের কারনে তার প্রতি সাধারণ জনগণের সমর্থন ও আস্থা দিন দিন বাড়ছে। সাধারণ মানুষ এখন তাঁর নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল।

শুধু উন্নয়ন কর্মকান্ডই নয়, মোকতাদির চৌধুরী এম.পির বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সদর ও বিজয়নগর উপজেলায় আইনশৃংখলা পরিস্থিতি এখন সন্তোষজনক। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে অস্ত্রবাজ, ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, ছিনতাইকারীসহ সমাজ বিরোধীরা এখন কোনঠাসা।

তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর একদিকে যেমন নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করছেন অপরদিকে সংগঠনকে শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তিনি আগামী প্রজন্মের বাসযোগ্য, বিজ্ঞানভিত্তিক একটি আধুনিক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গড়ার জন্য তিনি বিরামহীনভাবে কাজ করছেন।

গত ৮ বছরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস্তবায়িত হয়েছে বেশ কিছু মেঘা প্রকল্প। যার সুফল জনগন এখন ভোগ করছে। শহরের টি.এ.রোডে নির্মিত হয়েছে মৌড়াইল রেলওয়ে ওভারপাস। জেলা শহরে যানজট নিরসনে একটি ওভারপাস নির্মান তার বিরাট সাফল্য। ওভারপাসটি নির্মাণের ফলে একদিকে যেমন শহরের সৌন্দর্য বেড়েছে, অপরদিকে শহরের নিত্যদিনের যানজটমুক্ত হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও বিজয়নগর উপজেলার মধ্যে সরাসরি সংযোগ সড়ক প্রায় ১০ কিলোমিটার লম্বা “শেখ হাসিনা” সড়কের নির্মাণ কাজও চলছে দ্রুত গতিতে। ইতিমধ্যেই সড়কে মাটি ফেলার কাজ শেষ হয়েছে। তিনটি ব্রীজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষে হলে তিতাসের পূর্বপাড়ে গড়ে উঠবে আরেকটি উপ-শহর। সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর চরাঞ্চলের জমির দাম বেড়েছে বহুগুণ। সড়কটি চালু হলে বিজয়নগরে শিক্ষার হার বাড়বে, প্রসার ঘটবে ব্যবসা -বাণিজ্যের।

তিনি পৌর এলাকার মেড্ডা থেকে ভাদুঘর পর্যন্ত তিতাস নদীর পশ্চিমপাড়ের বেরিবাঁধটি নির্মান করেছেন। বরিবাঁধটি এখন ভ্রমন পিয়াসুদের জন্য আকর্ষণীয় স্থান। তিতাস নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য ইতিমধ্যেই তিতাস নদীর বিভিন্ন প্রান্তে খনন কাজ চলছে। নদীটি খনন করা হলে একদিকে নদীর নাব্যতা বাড়বে, অপরদিকে তিতাসের পূর্বপাড়ে কৃষিজমিতে সেচ কাজের সুবিধা হবে। নদীতে মাছের অভয়ারন্য সৃষ্টি হবে।

দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মোকতাদির চৌধুরী এমপি শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধন করেছেন। নির্বাচনী এলাকার বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে নতুন বিদ্যালয় নির্মান করা ছাড়াও সদর ও বিজয়নগরের প্রতিটি স্কুল কলেজে নতুন নতুন ভবন নির্মান, পুরাতন ভবন সংস্কার, স্কুল-কলেজগুলোতে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করে শিক্ষার অনুকুল পরিবেশে সৃষ্টি করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে তিনি জনগণের হৃদয়ে নিজের শক্ত অবস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন।

গত ৮ বছরে নির্বাচনী এলাকায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন কর্মকান্ডের মধ্যে রয়েছে ১২তলা বিশিষ্ট চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ভবন নির্মান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কেন্দ্রস্থলে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার নির্মান, চারতলা বিশিষ্ট পুলিশ লাইন্সের মহিলা ব্যারাক নির্মান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ৫তলা বিশিষ্ট ছাত্রাবাস নির্মান, সার্কিট হাউজের তিনতলার নির্মান, পুলিশ সুপার কার্যালয়ের তিনতলার নির্মান, ২নং শহর পুলিশ ফাঁড়ি নির্মান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্স নির্মান, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ। রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাট ফরম বর্ধিত করন, বহুতল বিশিষ্ট চিনাইর টিটিসি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে বহুতল বিশিষ্ট “শেখ হাসিনা” একাডেমিক ভবন, বহুতল বিশিষ্ট বিজয়নগর উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ, বিজয়নগর থানা কমপ্লেক্স নির্মাণ, বিজয়নগরে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় নির্মান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পাইকপাড়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিস ভবন নির্মাণ, পূর্ব মেড্ডায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মান, পৌর ডিগ্রী কলেজের চারতলা ভবন নির্মাণ, মোহাম্মদপুর-সেন্দা রাস্তার প্রতিরক্ষা দেয়াল, মৈন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, মেড্ডা (পশ্চিম) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মান, আদর্শ কেজি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবন নির্মাণ, নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ে বহুতল বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মাণ, বিজয়নগরের চম্পকনগর স্কুল এন্ড কলেজে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ, কালাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন নির্মাণ, বুল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ, সদর উপজেলার চাপুইর ইসলামিয়া আলীয়া মাদরাসার ভবন নির্মাণ, বুধল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতল ভবন নির্মাণ, সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ, ঘাটুরা বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন নির্মাণ, নরসিংসার বেগম নুরুন্নাহার কলেজে বহুতল বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যবর্তী খালের উপর তিনটি নতুন ব্রীজ নির্মাণ, রামরাইলে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ব্রীজ নির্মান, ঘাটিয়ারা হেলিডে রোডে ব্রীজ নির্মাণ, বিজয়নগর উপজেলার মুকুন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজে ৫তলা বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণ, চিনাইর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ, চিনাইর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অনার্স কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ভাদুঘরে স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন, দুবলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ, সোহাতা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ, কাঞ্চনপুর মলাই মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ, বিজয়নগরের বালিয়াজুরি নদীতে ব্রীজ নির্মান, বিজয়নগরের কাজী মোহাম্মদ শফিকুল ডিগ্রী কলেজে দ্বিতল একাডেমিক ভবন নির্মাণ, সুহিলপুর আলহাজ্ব হারুন-আল-রশিদ কলেজে একাডেমিক ভবন নির্মাণ, চিনাইর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অনার্স কলেজের হোস্টেল নির্মাণ, বিজয়নগর থেকে আখাউড়া রাস্তার সংস্কার কাজ, বিজয়নগরের রামপুর-মনিপুর সড়ক নির্মাণ, ঘাটিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর।

বাস্তবায়নাধীন অবস্থায় আছে পৌর এলাকার পুনিয়াউট থেকে রামরাইল পর্যন্ত মহাড়কের প্রশ্বস্তকরণকাজ, সুলতানপুর থেকে আখাউড়া পর্যন্ত আর্ন্তজাতিক সড়কের সোজাকরণ ও প্রশস্তকরনের কাজ, বিশ্বরোড থেকে উজানিসার পর্যন্ত কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কের ফোরলেনের সংস্কার কাজ। দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ।

এছাড়াও গত ৮ বছরে তিনি সদর ও বিজয়নগর উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন কাজ কাজ বাস্তবায়ন করেছেন। পৌর এলাকায় একটি অত্যাধুনিক শিশুপার্ক নির্মাণের কাজ ও ভাদুঘর আন্তঃজেলা বাসস্ট্যান্ডের আধুনিকায়নের কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পশ্চিম মেড্ডা নির্মাণাধীন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হার্ট ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠায় তার রয়েছে অসামান্য অবদান।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সদর আসন থেকে তিনি দলীয় মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাকে কেন্দ্র করেই দলীয় কর্মকান্ড করছেন দলের নেতা কর্মীরা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলের একক প্রার্থী হিসেবেই দলীয় মনোনয়ন ফরম দাখিল করেছেন।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, বর্তমান সংসদ সদস্য মোকতাদির চৌধুরীর নেতৃত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন ঐক্যবদ্ধ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলে তিনি একক প্রার্থী। দলে তাঁর কোনো বিকল্প নেই। জোটগত নির্বাচন হলেও তিনি এই আসনে মনোনয়ন পাবেন বলে আমরা শতভাগ আশাবাদী। জেলা সদর রাজনীতির একটি ভীত হিসেবে কাজ করে। যে কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আসনটিও আওয়ামী লীগ প্রার্থী পাবে সেটা আমরা নিশ্চিত। মোকতাদির চৌধুরীর নেতৃত্বে দলকে কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায় সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০