শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাসচাপায় কিশোরী নিহত

| বৃহস্পতিবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ | পড়া হয়েছে 526 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাসচাপায় কিশোরী নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এক কিশোরী নিহত হওয়ার ঘটনায় যাত্রীবাহী একটি বাসে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বেড়তলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

হাইওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটার দিকে মহাসড়কের আশুগঞ্জ উপজেলার বগইর বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন সুফিয়া খাতুন (৪৫) ও তাঁর কিশোরী মেয়ে কুলসুম বেগম (১৫)। এ সময় ঢাকা থেকে সিলেটগামী মিলন পরিবহনের বেপরোয়া গতির যাত্রীবাহী একটি বাস কুলসুম বেগমকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। বাসটি আধা কিলোমিটার এগিয়ে সরাইল উপজেলার বেড়তলা এলাকায় পৌঁছালে উত্তেজিত জনতা বাসটি আটক করে ভাঙচুর করতে থাকে। সাড়ে পাঁচটার দিকে লোকজন মহাসড়ক অবরোধ করে বাসটিতে অগ্নিসংযোগ করে। এতে বাসটি ভস্মীভূত হয়ে যায়। এ সময় মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর পর বাসের চালক ও চালকের সহযোগী পালিয়েছে। কুলসুম বেগম আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বগইর গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর মেয়ে।


আশুগঞ্জ থেকে দমকল বাহিনীর লোকজন, বিশ্বরোড মোড় হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিকেল সাড়ে ছয়টার দিকে যান চলাচল শুরু করে।
সুফিয়া বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার একমাত্র মেয়ে বায়না ধরছিল। ঈদের আড়ে জামা-কাফড় কিনা দিতাম। এই জন্য তারে নিয়া বিশ্বরোড মোড় বাজারে যাইতে ছিলাম। এখন আমার সব শেষ অইয়া গেছে।’

সরাইল বিশ্বরোড মোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০