শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হোমিওপ্যাথিক সোসাইটি শাখার দ্বি-বার্ষিক অনুষ্ঠিত

| শনিবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৮ | পড়া হয়েছে 146 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হোমিওপ্যাথিক সোসাইটি শাখার দ্বি-বার্ষিক অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হোমিওপ্যাথিক হেলথ এন্ড মেডিকেল সোসাইটি বাংলাদেশর জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২৪ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত জেলা শহরে পুরাতন জেলরোডস্থ দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গণ মিলনায়তনে হোমিওপ্যাথি হেলথ এন্ড মেডিকেল সোসাইটি বাংলাদেশর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সাবেক জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শ্যামল দাস গুপ্তের সভাপতিত্বে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন হেলথ এন্ড মডিকেল সোসাইটি বাংলাদেশর সভাপতি পন্ডিত ডা. সমরেষ চন্দ্র রায়। সকাল সোয়া ১১টায় বেলুন উড়িয়ে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করে আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সোপানুল ইসলাম।


অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন হোমিওপ্যাথিক হেলথ এন্ড মেডিকেল সোসাইটি বাংলাদেশর ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকা শাখার নির্বাহী পরিচালক মুখলেছুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া হোমিওপ্যাথিক কলেজ এন্ড হাসপাতালের প্রভাষক চিকিসৎক মো. বাকি বিল্লাহ ও বিশেষ আলোচক ছিলেন মেরাজুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মহসচিব হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ইব্রাহিম খলিল, ঢাকার সভাপতি জুলহাস উদ্দিন আহম্মেদ, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক তুহিন আলী বকশি, ওমর কাওছার, রোকেয়া বেগম, ফারহাজানা সুলতানা রেজওয়ান, নির্মল দেবনাথ, তারেকুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এস এম আকবার ও মজিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সাধারণ চিকিৎসক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের আড় চোখে দেখেন। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের তাঁরা মর্যাদা দিতে চান না। কিন্তু যখন এ্যালোপ্যাথিক ওষুধ কাজ না করে না সর্বশেষ অবস্থায় সাধারণ মানুষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের কাছে আসেন। হোমিওপ্যাথিক ওষুধে মানুষ রোগ থেকে মুক্তি পাচ্ছেন। বক্তারা বলেন, যে রোগের নাম এখনও হয়নি এবং আগামী প্রজন্ম যেসব নতুন রোগ আবিস্কার করবেন বা নাম দিবেন সেসব রোগের চিকিৎসাও হোমিওপ্যাথিতে রয়েছে। কারন হোমিওপ্যাথিক ওষুধের ভান্ডার অনেক সমৃদ্ধ। দিনদিন এটি বিস্তার লাভ করছে। হোমিওপ্যাথি হলো ভাববাদী চিকিৎসা দর্শন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পন্ডিত ডা. সমরেষ চন্দ্র রায় বলেন, শরীরে ক্যান্সার কোষকে বন্ধের ওষুধ হোমিওপ্যাথিতে রয়েছে। এটমিক পাওয়ার অব মেডিসিন বলা হয় হোমিওপ্যাথিককে। মানুষের শরীরে কিছু প্রতিরক্ষা কোষ আছে যা জীবানুকে প্রতিরোধ করে। বাসা বাধতে বাধা দেয়। সকল রোগের চিকিৎসা হোমিওপ্যাথিতে রয়েছে। এক সময় শিক্ষিত মানুষ হোমিওপ্যাথিতে আসতো। এখন তরুণ ও তরুণীরা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে কয়েকজন অতিথিকে সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জেলা ও জেলা শহরের বিভিন্ন উপজেলার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা অংশ নেন। দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেওয়া সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের সনদ প্রদান করা হয়।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১