শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রথম ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী সনাক্ত

স্টাফ রিপোর্টার | বুধবার, ০৭ আগস্ট ২০১৯ | পড়া হয়েছে 418 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রথম ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী সনাক্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রথম ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়েছে। বুধবার (০৭ আগস্ট ২০১৯) দুপুরে তা নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আক্রান্ত ১৩ মাসের শিশুর নাম মোঃ সাদ বিন এজাজ প্রকাশ আয়ান। তার বাড়ি জেলার আখাউড়া পৌর এলাকার মসজিদ পাড়ায়। আয়ানের বাবা এজাজ আহমেদ আখাউড়ায় স্বাস্থ্য সহকারি হিসেবে কর্মরত।

পরিবারের লোকজন জানান, গত কয়েক মাসের মধ্যে তাঁদের বাড়ির কেউ ঢাকা যায় নি কিংবা তাঁদের বাড়িতে ঢাকা থেকে কেউ বেড়াতেও আসে নি। যে কারণে আখাউড়াতেই মশার কামড়ে সে আক্রান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
গত ৬ আগস্ট মঙ্গলবার থেকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছে আয়ান। তবে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের লোকজনের ব্যাপক আনাগোনায় অস্বস্তিতে রয়েছে সে। আয়ানের চিকিৎসায় সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


আয়ানের বাবা মোঃ এজাজ আহমেদ জানান, গত ৪ আগস্ট আয়ান জ্বরে আক্রান্ত হয়। পরদিন চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষার পরামর্শ দেন। ৬ আগস্ট প্রথম পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য আবার পরীক্ষা করালে আবারো ডেঙ্গু অস্তিত্ব মেলে। বুধবার দুপরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের পরীক্ষায়ও তার ডেঙ্গু ধরা পড়ে।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক মোঃ শওকত হোসেন জানান, একাধিক পরীক্ষা নিরীক্ষায় শিশুটির ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। এই শিশুই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রথম আক্রান্ত রোগী। শিশুটির চিকিৎসার ব্যাপারে সব ধরণের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলছে। সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলায় এ পর্যন্ত ঢাকা-ফেরত ১১৪ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে জেলা সদর সহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ৫২ জন। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। গত ২৪ ঘন্টায় (মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে বুধবার দুপুর ১২টা) আরো ১৬ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়েছে। ঢাকা-ফেরত সরাইলের এক শিশু গত ১ আগস্ট কিশোরগঞ্জের ভৈরব হাসপাতালে মারা যান।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মো. শাহ আলম বলেন, ‘জেলায় প্রথম আক্রান্ত রোগী হলো শিশু আয়ান। এটা ভাবনার বিষয়। এর মধ্য দিয়ে বুঝা গেলো জেলাতে এডিস মশার অস্তিত্ব আছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো। সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি আমরা নতুন করে পদক্ষেপ গ্রহন করবো।’

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১