শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে আওয়ামীলীগের আয় অর্ধকোটি টাকা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি | শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | পড়া হয়েছে 356 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে আওয়ামীলীগের আয় অর্ধকোটি টাকা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৯টি উপজেলার ১০০টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হতে দলের মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন ৫৩৮ জন। আর এই ৫৩৮জন প্রার্থীর কাছ থেকে দলের আয় হয়েছে অর্ধকোটি টাকার উপরে। ফরম বিক্রি বাবদ আয় নির্বাচনে ব্যয় করা হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ১১ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম জমা হয় ৮৮টি, নবীনগর উপজেলার ২১টি ইউনিয়নে মনোনয়ন ফরম জমা হয় ১০৫টি, নাসিরনগর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে মনোনয়ন ফরম জমা হয় ৬৪টি,  বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে মনোনয়ন ফরম জমা হয় ৫০টি, বিজয়নগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে মনোনয়ন ফরম জমা হয় ৬২টি, কসবা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে মনোনয়ন ফরম জমা হয় ৫২টি, সরাইল উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে মনোনয়ন ফরম জমা হয় ৫৫টি, আশুগঞ্জ উপজেলার  ৮টি ইউনিয়নে মনোনয়ন ফরম জমা হয় ২১টি, আখাউড়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মনোনয়ন ফরম জমা হয় ৪১টি। মনোনয়ন ফরম বিক্রি কেনা বাবদ ১ হাজার টাকা ও জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়। সেই হিসেবে ১১ হাজার টাকা করে ৫৩৮টি ফরম জমা নিয়ে আয় হয় অর্ধকোটি টাকার উপরে।
জেলা আওয়ামীলীগের একটি সূত্র এই আয়ের কথা স্বীকার করেছেন। সূত্রটি জানায়, ফরম বাবদ নেওয়া এক হাজার টাকার পুরোটাই পাবে উপজেলা আওয়ামী লীগ। এছাড়া ১০ হাজার টাকার অর্ধেক জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ পাবে। এর মধ্যে থেকে মনোনয়ন প্রক্রিয়ার সময় হওয়া খরচও মেটানো হচ্ছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদকের ছয় সদস্যের মনোনয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান পদে একজন প্রার্থী নির্ধারণ করে কেন্দ্রে পাঠান। এর আগে স্থানীয়ভাবে কে কে প্রার্থী হতে চান তাদের কাছে দলের মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হয়। সূত্র জানায়, কেন্দ্রে গিয়েও অনেক সময় প্রার্থী পরিবর্তন হয়ে থাকে।
এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, ‘সম্ভাব্য প্রার্থীদের কাছ থেকে যে টাকা নেওয়া হয়েছে তা কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক ব্যয় করা হবে। আওয়ামী লীগের আয়ের-ব্যয়ের মধ্যেও এ টাকার কথা উল্লেখ করা হবে। এ প্রক্রিয়ায় না গেলে বরং যে দলের প্রার্থী হবেন তাঁর উপরই চাপ পড়ত। খুবই স্বচ্ছভাবে দলের নেতারা এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করছেন।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০