শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় পার্টির অফিস ভাঙ্গচুর এর ঘটনায় দায়ী করা হয়েছে ছাত্রলীগকে : ৩ দিনের আল্টিমেটাম

ষ্টাফ রিপোর্টার : | সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | পড়া হয়েছে 143 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় পার্টির অফিস ভাঙ্গচুর এর ঘটনায় দায়ী করা হয়েছে ছাত্রলীগকে : ৩ দিনের আল্টিমেটাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাতীয় পার্টির অফিসে হামলা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যার এ ঘটনার পর রাতে এবং রবিবার (২৫.০২.২০১৮) জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা শহরে বিক্ষোভ করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে ৩ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে জেলা জাতীয় পার্টি। এ ঘটনায় একটি মামলাও করা হয়েছে। জেলা জাতীয় পার্টি হামলার জন্যে ছাত্রলীগকে দায়ী করেছে। ঘটনার পর দলের অফিসে গিয়ে লন্ডভন্ড দশা দেখতে পান জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা।

জেলা জাতীয় পার্টির নেতা আনিছ খান জানান, অফিসের ভেতরের কোন জিনিসপত্র আস্ত নেই। বাইরে লাগানো সকল ব্যানার ফেষ্টুন কেটে নেয়া হয়েছে। অফিসের ভেতরে রাখা চেয়ার, টেবিল, টেলিভিশন, দরজা জানালা সব ভাংচুর করা হয়। দুটি সিলিং ফ্যান দুমড়ে-মুচড়ে দেয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, শনিবার বিকেল থেকে রেলওয়ে ষ্টেশনের পার্কিং এলাকায় জড়ো হতে থাকে বিভিন্ন বয়সী ছেলেপুলে। সন্ধ্যায় জেলা জাপার কার্যালয় লক্ষ্য করে প্রথমে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করে এরা। এরপর কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে তান্ডব চালায়। জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির আহমেদ খান ঘটনার পরপর সাংবাদিকদের বলেন, আমরা শুনেছি জেলা ছাত্রলীগের নতুন সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেলের নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। তবে রুবেল সাংবাদিকদের জানান, ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী ভাংচুরের ঘটনায় জড়িত নয়। ঘটনার খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে। জাতীয় পার্টির নেতা কর্মীরা ঘটনার পর রাতেই বিক্ষোভ মিছিল করে। তারা হামলার জন্যে প্রশাসনের কাছে জবাব চেয়ে শ্লোগান দেয়। এদিকে, রবিবার দুপুরে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা জেলা জাতীয় পার্টির কার্যালয় পরিদর্শন করেন। পরে এক বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন তিনি। মিছিলটি পার্টি অফিস প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে কালীবাড়ি মোড় পর্যন্ত যায়। সেখানে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এম.পি, রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, নাসির আহমেদ খান, এডভোকেট আবদুল্লাহ আল হেলাল, সৈয়দ মোকাব্বের, আবু কাউসার খান ও আনিছ খান প্রমুখ।


কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এম.পি বলেন, আমাদের সাথে কারো কোন সংঘাত নেই। আমার মনে হয় ইদানিং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, বিজয়নগর, নাসিরনগর, সরাইল, আশুগঞ্জ ও নবীনগরসহ পুরো জেলায় জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক অবস্থা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। কোন কোন মহল এটা ভালো চোখে দেখছেনা। একটা ভীতির সৃষ্টি করে আমাদের কর্মকান্ড স্তব্দ করার, নেতাকর্মীদের ভয় দেখানো যায় কি না, এটি তাদের তেমনই একটি ঘৃন্য প্রচেষ্টা। তিনি বলেন, ছাত্রলীগ ঘটনা ঘটিয়েছে এটা সবাই বলছে। তবে আমি প্রত্যক্ষদর্শী নই বা আমার মুখ দিয়ে এটি বলতে চাইনা। প্রশাসনকেই সেটা তদন্ত করে বের করতে হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়াকে সদরে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাথে এখনো আমাদের কোন জোট হয়নি। জোট হলে তখন বিবেচনার বিষয় হবে কে কোথায় মনোনয়ন পাবে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১