শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিতে এসে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

স্টাফ রিপোর্টার | বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১ | পড়া হয়েছে 102 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিতে এসে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা পেতে ভ্যাকসিন নিতে এসে ভোগান্তি পোহাচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষার্থী। গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে টিকা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার হয় শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনাভাইরাস থেকে এইসএসসি পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষায় গত ১৬ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরতলীর বিরাসার গ্যাস ফিল্ডস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে আরেকটি টিকাদান কেন্দ্র চালু করা হয়।


গত মঙ্গলবার জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তন টিকা কেন্দ্রে টিকা নিতে আসে জেলার বিভিন্ন উপজেলার ১০টি কলেজের ২১৯৭ জন শিক্ষার্থী।

প্রথম শিফটে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭টি কলেজের শিক্ষার্থী ও দ্বিতীয় শিফটে দুপুর ১২ টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত ৩টি কলেজের শিক্ষার্থীর টিকা দেয়ার কথা থাকলেও দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রথম শিফটের টিকা দেয়ার কাজ শুরু হয়নি। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর বসার জন্যও ছিলোনা কোন ব্যবস্থা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে এই কেন্দ্রে টিকা নিতে আসে নবীনগর মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টার সময় তাদের টিকাদান শুরু হওয়ার কথা থাকায় শিক্ষার্থীরা নৌকাযোগে সকাল ১০টার সময়ই চলে আসে টিকাদান কেন্দ্রে। দুপুর ২টা পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়নি। এছাড়া এই কেন্দ্রে প্রথম শিফটে আশুগঞ্জ উপজেলার তিন্নি আনোয়ার মহিলা কলেজের ৯১ জন শিক্ষার্থীর টিকা দেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু দ্বিতীয় শিফটের সময় হলেও তাদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা যায়নি।

নবীনগর মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী নীলা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমাদেরকে দ্বিতীয় শিফটে টেকা দেয়ার কথা। সঠিক সময়ে টিকা নিতে আমরা সকাল ১০টার মধ্যেই টিকাদান কেন্দ্রে পৌছি। এসে দেখি প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীদের এখনো টিকা দেয়া হয়নি। টিকাদান কেন্দ্রের দায়িত্বরতদের জিজ্ঞেস করলে তাঁরা জানান, টিকা শুরু হতে বিকেল হবে। নীলা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, টিকাদান কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের বিশ্রাম নেয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। টয়লেটেরও কোন সু-ব্যবস্থা নেই।

একই ধরনের অভিযোগ করেন নবীনগর মহিলা কলেজ থেকে আসা শিক্ষার্থী শাম্মী বেগম, জেসমিন জাহান সেতু, তানজিনা আক্তার, সিনথিয়া আক্তারসহ আরো অনেক শিক্ষার্থী।

আশুগঞ্জ উপজেলার তিন্নি আনোয়ার কলেজের শিক্ষার্থী ফারিয়া জাহান কেয়া অভিযোগ করে বলেন, তাদের টিকা দেয়ার কথা প্রথম শিফটে। কিন্তু দুপুর ১টা বাজলেও টিকা দেয়া শুরু হয়নি। তিনি বলেন, ১ বছরের বেবিকে সাথে নিয়ে এসেছি। সঠিক সময়ে টিকা কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় বাচ্চাকে নিয়ে খুবই কষ্ট করেছি।

নবীনগর মহিলা কলেজের শিক্ষক অসীম গুহ অভিযোগ করে বলেন, দ্বিতীয় শিফটে তাদের কলেজের শিক্ষার্থীদেরকে টিকা দেয়ার কথা থাকলেও বিকেল তিনটায় তাদের টিকা দেয়া শুরু হয়। তিনি বলেন, এই কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের বিশ্রাম নেয়ার কোন সুযোগ নেই। মেয়েরা খুবই কষ্ট করেছে।

এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরামউল্লাহ বলেন, বিদ্যুৎ না থাকার কারনে টিকা কার্যক্রমে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। সঠিক সময়ে শুরু করা যায়নি। তিনি বলেন, কেনো বিদ্যুৎ ছিলনা তা আমি বলতে পারবোনা।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০