শিরোনাম

দুইদিন পরেই শুরু হবে নতুন বছর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এখনো পৌছেনি শতভাগ বই

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি | মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ | পড়া হয়েছে 51 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এখনো পৌছেনি শতভাগ বই

আর দুইদিন পরেই শুরু হবে নতুন বছর। প্রতি বছরই বই উৎসবের মাধ্যমে বছরের প্রথমদিন শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হয় নতুন বই। কিন্তু এ বছর এখনো ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌছেনি শতভাগ বই। এতে করে বছরের প্রথমদিন সকল শিক্ষার্থীদের হাতে শতভাগ বই তুলে দিতে না পারার শঙ্কা রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত সোমবার বিকেল পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের চাহিদার ৭৪ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চাহিদার মাত্র ১৬ দশমিক ৪২ শতাংশ পাঠ বই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌছেছে। তবে প্রাক-প্রাথমিকের শতভাগ পাঠ বই জেলায় পৌছেছে।


সোমবার বিকেলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ বছর প্রাক প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য ৮৩ হাজার ১২২টি বইয়ের চাহিদা রয়েছে। চাহিদার সকল বই পৌছেছে।

অপরদিকে জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের জন্য ২৩ লাখ ৯৯ হাজার ৪৩০টি পাঠ্য বইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল। সোমবার বিকেল পর্যন্ত চাহিদার মধ্যে ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৩১০টি বই পৌছেছে। অর্থাৎ বই পৌছেছে চাহিদার ৭৪ দশমিক ০৬ শতাংশ।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় মাধ্যমিক, দাখিল ও ইবতেদায়ি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৪২ লাখ ৬০ হাজার ৮২১টি পাঠ্য বইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল।

এর মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের চাহিদার ৩৩ লাখ ৯১ হাজার ১৩৮টি বইয়ের মধ্যে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ৫ লাখ ৩৪ হাজার ১২৯টি বই পৌছেছে। ইবতেদায়ির শিক্ষার্থীদের জন্য চাহিদার ২ লাখ ৩৫ হাজার ৫১০ পাঠ্য বইয়ের মধ্যে পৌঁছেছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৩৭২টি বই। আর দাখিলের জন্য ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৪৫৪টি পাঠ্য বইয়ের চাহিদার একটি বইও পৌছেনি।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার খোরশেদ আলম বলেন, করোনা সংক্রমনের কারণে স্ব স্ব বিদ্যালয়েই বছরের প্রথম দিন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিবেন। তিনি বলেন, গত শনিবার থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে বই পাঠানো শুরু হয়েছে। নতুন বছরের প্রথমদিন থেকেই বই বিতরণ শুরু হবে।

এ ব্যাপারে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শফি উদ্দিন বলেন, জেলায় মাধ্যমিক, দাখিল ও ইবতেদায়ির শিক্ষার্থীদের জন্য ৪২ লাখ ৬০ হাজার ৮২১ টি পাঠ্য বইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল। সোমবার বিকেল পর্যন্ত চাহিদার ১৬ দশমিক ৪২ শতাংশ পাঠ্য বই পেয়েছি। তিনি বলেন, মঙ্গলবারের রাতের মধ্যে আরো বই আসার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, নতুন বছর শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই আমরা সকল শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিতে পারব। বই নিয়ে কোনো ধরণের সমস্যা হবে না।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১