শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কোভিড-১৯ এর টিকা প্রদান শুরু

স্টাফ রিপোর্টার | মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১ | পড়া হয়েছে 86 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে            কোভিড-১৯ এর টিকা প্রদান শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসের সংক্রমন থেকে সুরক্ষায় প্রথমবারের মতো কলেজ পর্যায়ে এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কোভিড-১৯-এর টিকা প্রদান শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার ১৬ই নভেম্বর, ২০২১ সকাল ৯টা থেকে শহরের বিরাসারে অবস্থিত বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। শিক্ষার্থীদেরকে ফাইজারের টিকা দেয়া হচ্ছে।

পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালে নির্ধারিত কলেজের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে উপস্থিত হলে তাদের মধ্যে টিকার প্রথম ডোজ দেয়া শুরু হয়। জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরামউল্লাহ, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফি উদ্দিন প্রমুখ।


টিকাদান কেন্দ্রে ৬ জন সিনিয়র স্টাফ নার্স দায়িত্ব পালন করেন। মঙ্গলবার উদ্বোধনী দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ স্কুল এন্ড কলেজ, সুহিলপুর আলহাজ্ব হারুন-আল-রশীদ কলেজ ও চাতলপাড় ডিগ্রী কলেজের এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদেরকে টিকা দেয়া হয়। আগামী ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত এই কেন্দ্রে জেলার ৯টি উপজেলার প্রায় ১৬ হাজার এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীকে টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হবে। এইচ.এস.সি পরীক্ষার পর ২য় ডোজ দেয়া হবে।

টিকা গ্রহন করে শিক্ষার্থী সাবাতুল চৌধুরী বলেন, টিকা গ্রহন করে নিজেকে সরক্ষিত মনে করছি। আমার সাথে আমার সহপাঠিরাও টিকা গ্রহন করেছে। টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করায় আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।

অপর শিক্ষার্থী সুব্রত ঘোষ বলেন. টিকা নিয়ে অনেক চিন্তিত ছিলাম। আমাদের পরীক্ষার আগে সরকার আমাদের জন্য টিকার ব্যবস্থা করায় আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার বলেন, আমি টিকা গ্রহন করেছি। নিজেকে সুরক্ষিত মনে হচ্ছে। পরীক্ষার আগে টিকা নিতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফি উদ্দিন বলেন, জেলায় ১৬ হাজারের বেশি এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী আছে। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, শিক্ষার্থীরা যেন তাদের রেজিষ্ট্রেশন কার্ড নিয়ে টিকাদান কেন্দ্রে চলে আসে। তিনি বলেন, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা এবং দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আলাদাভাবে এসে টিকা গ্রহন করবে। টিকা গ্রহন করে শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে পারবে।

সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরামউল্লাহ বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। জেলার ১৬ হাজারেরও বেশি এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীকে ফাইজারের এই টিকা দেয়া হবে।

তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে স্কুল পর্যায়ে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদেরকেও ফাইজারের টিকা দেয়া হবে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০