শিরোনাম

হেফাজতের তান্ডব

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আরো ৭ জন গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার | রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১ | পড়া হয়েছে 100 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আরো ৭ জন গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবের সময় শহরজুড়ে ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আরো ৭জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত শুক্রবার রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থক। এনিয়ে তান্ডবের ঘটনায় মোট ২৬৮ জন গ্রেপ্তার হয়েছে।


শনিবার ১৭ই এপ্রিল, ২০২১ সকালে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে গনমাধ্যম কর্মী কাছে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হেফাজতের তান্ডবের ঘটনায় জড়িত আরো ৭জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরা সবাই হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থক। এনিয়ে এসব ঘটনায় মোট ২৬৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তান্ডবের ঘটনায় জেলার বিভিন্ন থানায় মোট ৫৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৩টি, সরাইল থানায় ২টি এবং আখাউড়া রেলওয়ে থানায় ১টি। ৫৫টি মামলায় এজাহারনামীয় ৪১৪ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৩৫ হাজার লোককে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত মামলার ২৬৮ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করে।

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিআইওয়ান) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, পুলিশ আসামীদের ভিডিও ফুটেজ ও ছবি দেখে তাদেরকে গ্রেপ্তার করছে।

উল্লেখ্য স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালায়।

এসময় হামলাকারীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন, পৌরসভা কার্যালয়, সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, এসিল্যান্ডের কার্যালয়, সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, জেলা মৎস্য অফিস, সার্কিট হাউজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, মাতৃ সদন, সরকারি গণগ্রন্থাগার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের বাসভবন, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর দুটি ম্যুরালসহ তিনটি ম্যুরাল, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে উন্নয়ন মেলার প্যান্ডেল, একই চত্বরে থাকা শহর সমাজসেবা প্রকল্পের অফিস, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের অফিস, পৌর মেয়রের বাসভবন, সার্কিট হাউজ, হাইওয়ে থানা ভবন, ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্যাম্পাস, হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ কালীবাড়ি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বাসভবন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের বাসভবন, আশুগঞ্জ টোলপ্লাজা, সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়সহ সরকারি, বেসরকারি প্রায় অর্ধশতাধিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরিতে পরিনত করে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১