শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা শ্রমিকলীগের দ্বি-বাষিক সভায় র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রশাসন চলে হেফাজত নেতাদের কথায়

স্টাফ রিপোর্টার | বৃহস্পতিবার, ০৭ অক্টোবর ২০২১ | পড়া হয়েছে 201 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রশাসন চলে হেফাজত নেতাদের কথায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী অভিযোগ বলেছেন, হেফাজত নেতারা অনেক মন্ত্রী. এম.পির কাপড়ের নীচে থাকে। প্রশাসন চলে হেফাজত নেতাদের কথায়। পুলিশ আসামী ধরে, ছাড়ে তাদের নির্দেশে।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার ৭ই অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্ত্বরে জাতীয় শ্রমিক লীগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।


জেলা শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলাউদ্দিন আলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রশাসন হলো হেফাজতের দাস। হেফাজতের ইচ্ছায় চলে প্রশাসন। কাকে ছাড়বে কাকে ধরবে সেটা পুলিশকে নির্দেশ করে হেফাজত। তবে হেফাজতিরা মিথ্যাবাদী। তারা বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকি পালন করে সেটা ভালো কথা। কিন্তু পাঁচ হাজার কোরআন খতম দেওয়ার বিষয়টি একেবারে মিথ্যা।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হলো, কিন্তু কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক দেখতে এলেন না। ছাত্রলীগ নেতাদের বাড়ি ভাঙচুর হলো কিন্তু এম.পি’রা (স্থানীয়) কোনো খোঁজ নিলেন না। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবের সময় স্থানীয় অনেক নেতাই ‘পালিয়ে’ গিয়েছিলেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল যখন ভাংচুর করা হয়, তখন আমি একজনকে হেফাজত নেতাকে বিষয়টি জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা যদি চাইতো, মুফতি মোবারক উল্লাহ, সাজিদুর রহমানরা যদি চাইতো তাহলে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাংচুর হতোনা। তিনি বলেন, শ্রমিকলীগের দ্বি-বাষিক সম্মেলনে এতো নেতারা আসলেন, ওইদিন আপনার কোথায় ছিলেন? তাই এসব শ্লোগান দিয়ে কোনো লাভ নাই।

দ্বি-বাষিক সাধারণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান বাবুল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ. মালেক চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন শ্রমিকলীগ নেতা আশরাফ হোসেন আশা, জিল্লুর রহমান, নূর আফজল প্রমুখ।

উল্লেখ্য, মহান স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তির অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে গত ২৬ থেকে ২৮ ৫ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তান্ডব চালায় হেফাজত ইসলাম। রেলওয়ে স্টেশনসহ শতাধিক স্থাপনায় তান্ডব চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে। এ ঘটনায় হেফাজতের শীর্ষ নেতারা গ্রেপ্তার না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন মোকতাদির চৌধুরী এম.পি।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১