শিরোনাম

সদর থানার ওসির পর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসবির শীর্ষ কর্মকর্তাকে সিলেটে বদলি

স্টাফ রিপোর্টার | বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১ | পড়া হয়েছে 110 বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসবির শীর্ষ কর্মকর্তাকে সিলেটে বদলি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের তান্ডবের ঘটনার ১ মাসের মাথায় সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আবদুর রহিমকে রংপুর রেঞ্জে বদলি করার পর এবার জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আলাউদ্দিন চৌধুরীকে বদলি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ২৭শে এপ্রিল ২০২১ বিকেলে তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সিলেট রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে (আরআরএফ) বদলি করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারি করা আদেশে তাকে বদলি করা হয়।


বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোঃ রইছ উদ্দিন বলেন, এটি পুলিশের নিয়মিত বদলির অংশ। তবে বুধবারের মধ্যেই তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বিদায় নিতে হবে। এর আগে গত সোমবার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিমকে রংপুর রেঞ্জে বদলী করা হয়।

উল্লেখ্য মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালায়।

এসময় হামলাকারীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন, পৌরসভা কার্যালয়, সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, এসিল্যান্ডের কার্যালয়, সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, জেলা মৎস্য অফিস, সার্কিট হাউজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, মাতৃ সদন, সরকারি গণগ্রন্থাগার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের বাসভবন, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর দুটি ম্যুরালসহ তিনটি ম্যুরাল, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে উন্নয়ন মেলার প্যান্ডেল, একই চত্বরে থাকা শহর সমাজসেবা প্রকল্পের অফিস, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের অফিস, পৌর মেয়রের বাসভবন, সার্কিট হাউজ, হাইওয়ে থানা ভবন, ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্যাম্পাস, হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ কালীবাড়ি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বাসভবন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের বাসভবন, আশুগঞ্জ টোলপ্লাজা, সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়সহ সরকারি, বেসরকারি প্রায় অর্ধশতাধিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরিতে পরিনত করে।

এদিকে এসব ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন থানায় মোট ৫৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় ৩০থেকে ৩৫ হাজার ব্যক্তিকে আসামী করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এসব মামলায় ৩৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১