শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে

বিএনপির মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন আবু আসিফ আহমেদ

| বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮ | পড়া হয়েছে 202 বার

বিএনপির মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন আবু আসিফ আহমেদ

আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবু আসিফ আহমেদ।

আজ ১৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি (আশুগঞ্জ-সরাইল) এর দুই শতাধিক নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক বেলাল আহমেদ এর কাছে।


এ ছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইদ্রিস মিয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম, উপজেলা বিএনপির সদস্য আব্দুস সালাম, বিএনপি নেতা উয়াদুদুদ, সাফায়েত সুমন, আইন সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন, তালশহর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইব্রাহিম মিয়া, উপজেলা বিএনপির মারুফ. বকুল, সাদ্দাম, আড়াইসিধা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নাছির মিয়া, ছাত্রদল নেতা মাহাবি হাসান রানাসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ ছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইদ্রিস মিয়া, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক নূরে আলম, উপজেলা বিএনপির সদস্য আব্দুস সালাম, বিএনপি নেতা উয়াদুদুদ, সাফায়েত সুমন, আইন সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন, তালশহর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইব্রাহিম মিয়া, উপজেলা বিএনপির মারুফ. বকুল, সাদ্দাম, আড়াইসিধা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নাছির মিয়া, ছাত্রদল নেতা মাহাবি হাসান রানাসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আবু আসিফ আহমেদ ইতিমধ্যে তিনি ব্যাপক গণসংযোগের মাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে গড়ে তুলেছেন গভীর সম্পর্ক। দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি এ আসনটি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উপহার দিতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করছেন। আবু আসিফ আহমেদ বলেন, ঐতিহ্যবাহী পরিবারে জন্ম নিয়েছেন তিনি। বাপ-দাদারা এলাকায় দানশীল হিসেবে পরিচিত। শিক্ষার উন্নয়নে তারা বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের এ ধারাবাহিকতা তিনি ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন। ১৯৮৩ সালে চাচা হাজী আবদুল জলিলের নামে প্রতিষ্ঠিত উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেও পারিবারিক কারণে ভর্তি হন রাজবাড়ী সরকারি কলেজে। সেখানেই তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরর হাজী আসমত কলেজে ভর্তি হন। সম্পৃক্ত হন স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে। নিজ দক্ষতায় লাভ করেন উপজেলা বিএনপির প্রথম আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়কের পদ। বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।

৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল জয়ী হন তিনি। বিরোধী জোটে থাকায় বাজেট কম হওয়া সত্বেও তিনি আশুগঞ্জে সাধ্যমতো উন্নয়নের চেষ্টা করেছেন। রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার করে জনগণের সেবা নিশ্চিত করেছেন। শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। নেতাকর্মীদের নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ও তৃণমুলে করছেন গণসংযোগ। এছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতিটি কর্মসূচি পালন করছেন তিনি। এ কারণে বর্তমান সরকারের রোষানলে পড়তে হয়েছে তাকে। অর্ধডজনের বেশি হয়রানিমূলক ও গায়েবি মামলায় প্রধান অভিযুক্ত তিনি। সার্বিক বিবেচনায় তিনি বিএনপির মনোনয়নের ব্যাপারে আশাবাদী। তবে দল যদি তাকে মনোনয়ন নাও দেয় তবুও তিনি ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবেন।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১