শিরোনাম

বাঞ্ছারামপুরে ইউএনও মো. শরিফুল ইসলামের ম্যাজিকে ৪৮ ঘন্টায় যানজট নিরসন!

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি : | রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | পড়া হয়েছে 273 বার

বাঞ্ছারামপুরে ইউএনও মো. শরিফুল ইসলামের ম্যাজিকে ৪৮ ঘন্টায় যানজট নিরসন!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শরিফুল ইসলাম। বহু বছরের স্থায়ী যানজট নিরসন করেছেন তিনি মাত্র ৪৮ঘন্টায়। আর এমন ঘটনায় হতবাক উপজেলাবাসী। বর্তমানে উপজেলায় যানজট প্রায় নেই বললেই চলে।

খোজ নিয়ে জানা যায়, যানজট নিরসনে উপজেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আলমগীর হোসেনকে নিয়ে ইউএনও শরিফুল ইসলাম অবসরে একাধিক অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেন। পরিকল্পনা মতো, সদর উপজেলায় অবস্থিত বিভিন্ন সিএনজি, অটোরিক্সা স্ট্যান্ড দূরে সরিয়ে দেন। পৌর এলাকার ফুটপাথ থেকে দলমত নির্বিশেষে সকল হকারকে ৪৮ ঘন্টার সময় বেধে দিয়ে সরিয়ে দেয়া হয়। সরকারি রাস্তা দখল করে যে সমস্ত দোকানপাট বর্ধিত অংশ দখল করে রাখা হয়েছিলো সেগুলো দখলমুক্ত করেন। দিনের বেলায় ভারী পরিবহন লোড-আনলোড নিষিদ্ধ করেন মাইকিং করে। আর এতেই পুরো উপজেলার জনগণ উপকৃত হয়।


এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, শুরু করলাম মাত্র। বাঞ্ছারামপুরে খাল, পূর্বের সরকারি খাস জায়গা, সাবেক রাস্তা সবই বের করা হবে। এতে যদি কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি বাধা দিতে আসে, তা কর্ণপাত করা হবে না। জনগণের জন্য রাস্তা, গাড়ি চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য। এতে কোন কালো হাতকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না। আর যে সামান্যটুকু সাফল্য অর্জন করেছি, থানার পুলিশসহ এলাকাবাসী, ব্যবসায়ীমহল, প্রশাসনের সকলের সহায়তায় তা সম্ভব হয়েছে।

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মকবুল হোসেন মুক্তার বলেন, নতুন ইউএনও এবং এসি ল্যান্ড বাঞ্ছারামপুরে যোগদানের পর থেকে প্রশাসনে অনিয়মের মাত্রা বহু কমেছে। রাস্তাঘাট প্রশস্ত হয়েছে। এখন এই আইন-শৃংখলা ধরে রাখতে হবে সকলে মিলে।

নারী ও শিশু সুরক্ষায় কাজ করা মানবাধিকার কর্মী ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বাঞ্ছারামপুর উপজেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক ফয়সল আহমেদ খান জানান, নতুন ইউএনও শরিফুল ইসলাম উপজেলায় যোগদানের পর থেকে প্রশাসনে গতি সঞ্চার হয়েছে। দুর্নীতি কমতে শুরু করেছে। এখন আর কোন মেয়ে ইভটিজারের শিকার হচ্ছে না। বাল্যবিবাহ কমেছে। এসবই সম্ভব হয়েছে পুলিশ, এসিল্যান্ডসহ প্রশাসনের সার্বিক সমন্বয়ের কারণে। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, পাঠাগার বিহীন একটি উপজেলায় কাউকেই পাঠাগার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে এখনো প্রশাসনকে উদ্যোগী হতে দেখিনি’।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল আহমেদ জানান, আমাদের নেতা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম সাধারণ জনগণের সুবিধার জন্য প্রশাসনকে বার বার বলেছেন ‘নাগরিক সুবিধার জন্য আপনাদের যে কোন উদ্যোগে আমার সহযোগিতা থাকবে।’

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১