শিরোনাম

বাঞ্ছারামপুরে আলোকবর্তিতা হয়ে কাজ করছেন জলি আপা

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি : | মঙ্গলবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৮ | পড়া হয়েছে 450 বার

বাঞ্ছারামপুরে আলোকবর্তিতা হয়ে কাজ করছেন জলি আপা

জলি আক্তার বা জলি আমীর। ৩৫ বছর বয়সী এই ৩ সন্তানের মা কেবল একজন সাধারণ নারীই, মানুষ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় গত ১২ বছর ধরে অসহায় নারীদের আলোকবর্তিকা হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

দিনরাত, মাস, বছর। মানুষের ভালোবাসায় তিনি তিন বার নির্বাচিত হলেন মহিলা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। বর্তমানে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান। উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক। সবার কাছে সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিত জলি আপা। তাকে দলমত নির্বিশেষে সকলেই চিনেন জানেন। যখনই কেউ বিপদে পড়েন, বিশেষ করে নারী তখন জলি আপার কাছে ছুটে যান সবাই।কি গৃহস্থ, ভিখারী, দিনমজুর নারী শ্রমিক, এনজিও কর্মী বা স্বামী কর্তৃক নির্যাতিত নারী বা যৌন হয়রানীর স্বীকার শিক্ষার্থীর অভিভাবক।জলি আপা নি:স্বার্থভাবে গভীর রাতেও ছুটে যাবার নজীর বহু রয়েছে।


কথা ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মা সমাবেশগুলোতে নিয়মিত তিনি অংশ গ্রহণ করেন। কোমলমতি ছাত্র ছাত্রীদের ভালো ভাবে পড়াশুনা, সৎ নাগরিকের গাইড লাইন, শিক্ষার উপকারিতা ইত্যাদি সময় সুযোগ পেলেই পরামর্শ দেন। দরিদ্র অভিভাবকদের তাদেও সন্তানকে স্কুলে ভর্তির জন্য পরামর্শ ও সহযোগিতা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া (০৬) বাঞ্ছারামপুর আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ক্যা.এবি তাজুল ইসলাম(অব.) এমপি বলেন, উপজেলায় প্রতিবন্ধী নারী ও শিশুদের জন্য জলি আমীর আওয়ামীলীগ বা বিএনপি বুঝে না, আমার কাছে সাহায্যের জন্য বা তদবীরের জন্য ছুটে আসে।আমিও সুন্দর মনের, পরিশ্রমি ও মানবিক জলিকে ফিরাই না।

প্রতিবন্ধীদের সহায়তা করে আমি বড় তৃপ্তি পাই।আমি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতি মাসে যে সম্মানী পাই, তার পুরোটাই প্রতিবন্ধী ও অসহায়দের সহায়তায় ব্যয় করি।যেহেতু স্বামী ঠিকাদার, সেহেতু চলতে তেমন কষ্ট হয়না-এক প্রশ্নের জবাবে জলি আমীর এ কথাগুলো জানান।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০