শিরোনাম

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ত্রিপুরায় গেলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ত্রিপুরার নাম উল্লেখিত থাকবে

আখাউড়া প্রতিনিধি : | সোমবার, ২৬ মার্চ ২০১৮ | পড়া হয়েছে 131 বার

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ত্রিপুরার নাম উল্লেখিত থাকবে

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনের উদ্যোগে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ত্রিপুরা গেছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান। গতকাল রোববার দুপুরে স্থল বন্দরের শূণ্য রেখায় তাঁকে স্বাগত জানান ত্রিপুরাস্থ বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি মো. ইকবাল হোসেন। এ সময় তাঁর সাথে ছিলেন ইউজিসি’র উপ- সচিব মো. শাহীন সিরাজ। এর আগে ঢাকা থেকে সড়ক পথে বেলা সোয়া একটায় আখাউড়া স্থল বন্দরে এসে পৌঁছেন তিনি। এ সময় তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান আখাউড়া প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যরা।

স্থল বন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের অতিথি কক্ষে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান একান্ত আলাপচারিতায় এ প্রতিনিধিকে বলেন, ত্রিপুরায় বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনের আমন্ত্রণে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ত্রিপুরা যাচ্ছেন তিনি। এসময় মহান মুক্তিযুদ্ধে ত্রিপুরাবাসীর অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ত্রিপুরার নাম সব সময় উল্লেখিত থাকবে। তার কারণ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আক্রমনে এদেশের বহু মানুষ ভারতবর্ষে প্রবেশ করে। ওই সময় ত্রিপুরায় এত মানুষ প্রবেশ করেছিল, তখন ত্রিপুরার জনসংখ্যার চেয়ে শরনার্থীর সংখ্যা বেশি হয়ে গিয়েছিল। তখন ত্রিপুরার মানুষ যে ভ্রাতৃত্বপ্রতিম আবেগ নিয়ে আমাদেরকে গ্রহণ করেছিল সেটি অতুলনীয়। অনেকে নিজেদের ঘর বাড়ি ছেড়ে দিয়ে আমাদেরকে আশ্রয় দেন। তৎকালীন ত্রিপুরার রাণী তাঁর প্রাসাদ খুলে দিয়েছিলেন শরনার্থীদের জন্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে  ত্রিপুরার ভূমিকা আমাদের জন্য বিশাল পাওনা। তিনি মনে করেন বাঙালী হিসেবে আমরা আজীবন তাদের প্রতি কৃতত্ব দেখানো উচিত। অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, শুধু একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছি তা নয়, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ত্রিপুরাবাসীকে আমার পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাতে যাচ্ছি। তিনি বলেন, ত্রিপুরার সরকারের সহযোগিতায় বিলোনিয়ার চুত্তাখোলায় মুক্তিযুদ্ধ উদ্যান নির্মাণ করা হয়েছে সেটিও  দেখার জন্য যাবেন তিনি। আগামী ২৭ মার্চ বিলোনিয়া সীমান্ত দিয়ে তাঁর বাংলাদেশে ফেরার কথা রয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে তিনি সকলের প্রতি শুভেচ্ছা জানান।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১