শিরোনাম

বর্তমান সরকারের চার বছরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক উন্নয়ন-কর্মকান্ড বাস্তবায়ন

স্টাফ রিপোর্টার : | রবিবার, ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ | পড়া হয়েছে 295 বার

বর্তমান সরকারের চার বছরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক উন্নয়ন-কর্মকান্ড বাস্তবায়ন

টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকারের চারবছর পূর্তি হয়েছে। গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক ধারা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর ১২ জানুয়ারি সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। চার বছর সময়ে বর্তমান সরকারকে ঘরে-বাইরে নানা সঙ্কট মোকাবেলা করতে হলেও শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিজয়ের হাসি এসেছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। ৬২ বছরের ছিটমহল সমস্যার সমাধান হয়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা লক্ষ্য করা গেলেও সরকার সেগুলো সাফল্যের সঙ্গে মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ), কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) নির্বাচনে বাংলাদেশের বিজয় বড় অর্জন।

এদিকে বর্তমার সরকারের আমলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিটি সেক্টরেই ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও আখাউড়া উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছে। বিজয়নগর উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের পথে। গত চার বছরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সাংসদ ও পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছেন। ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে ইতিমধ্যেই তিনি জনগনের মধ্যে নিজের শক্ত অবস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন। নির্বাচনের আগে জনগনকে দেয়া ওয়াদা তিনি বাস্তবায়ন করছেন। তাঁর অক্লান্ত চেষ্টায় নির্বাচনী দুটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এর একটি হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও বিজয়নগর উপজেলার মধ্যে সরাসরি সংযোগস্থাপনকারী প্রায় ১০ কিলোমিটার লম্বা “ শেখ হাসিনা সড়ক” এবং অপরটি হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দীর্ঘদিনের যানজট লাঘবে শহরের টি.এ.রোডের উপর নির্মানাধীন “মৌড়াইল রেলওয়ে ওভারপাস”।

ইতিমধ্যেই ১০ কিলোমিটার লম্বা শেখ হাসিনা সড়কের প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়কের মাটি ফেলার কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি সড়কে চলছে ব্লক বসানোর কাজ। অপর দিকে শহরের ওভারপাসটি এখন দৃশ্যমান। স্বল্প সময়ের মধ্যেই শেখ হাসিনা সড়ক ও শহরের “মৌড়াইল রেলওয়ে ওভারপাস” এর কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এছাড়াও বর্তমান সরকারের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনে উল্লেখ্যযোগ্য কর্মকান্ডের মধ্যে রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে বহুতল বিশিষ্ট শেখ হাসিনা একাডেমিক ভবন, বিজয়নগর উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন, বিজয়নগর থানা, বিজয়নগরে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়, বিজয়নগরের ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ি ভবন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পাইকপাড়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিস ভবন, পৌর ডিগ্রী কলেজের দ্বিতল ভবন, মোহাম্মদপুর-সেন্দা রাস্তার প্রতিরক্ষা দেয়াল, মৈন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, মেড্ডা (পশ্চিম) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন, নতুন করে আদর্শ কেজি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবন নির্মান, নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ে বহুতল বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মান, বিজয়নগরের চম্পকনগর স্কুল এন্ড কলেজে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মান, কালাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন নির্মান, সদর উপজেলার চাপুইর ইসলামিয়া আলীয়া মাদরাসার ভবন নির্মান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যবর্তী খালের উপর তিনটি নতুন ব্রীজ নির্মান, রামরাইলে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ব্রীজ নির্মান, ঘাটিয়ারা হেলিডে রোডে ব্রীজ নির্মান, বিজয়নগর উপজেলার মুকুন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজে বহুতল বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মান, চিনাইর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মান, চিনাইর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অনার্স কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মান, দুবলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মান, সোহাতা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মান, কাঞ্চনপুর মলাই মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মান কাজ, পূর্ব মেড্ডায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মান, বিজয়নগরের বালিয়াজুরি নদীতে ব্রীজ নির্মান, বিজয়নগরের কাজী মোহাম্মদ শফিকুল ডিগ্রী কলেজে দ্বিতল একাডেমিক ভবন নির্মান, সুহিলপুর আলহাজ্ব হারুন-আল-রশিদ কলেজে একাডেমিক ভবন নির্মান, চিনাইর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অনার্স কলেজের হোস্টেল নির্মান, বিজয়নগর থেকে আখাউড়া রাস্তার সংস্কার কাজ, বিজয়নগরের রামপুর-মনিপুর সড়ক নির্মান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা থেকে ভাদুঘর পর্যন্ত তিতাস নদীর তীরে বেরিবাঁধ নির্মান কাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের ফ্ল্যাটফরম বর্ধিতকরন, বেগম নুরুন্নাহার কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মান, সদর উপজেলার হেলিডে সড়কের সংস্কার কাজ। এছাড়াও বর্তমানে পৌর এলাকার পুনিয়াউট থেকে রামরাইল পর্যন্ত মহাড়কের প্রশস্থকরনকাজ চলছে। দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নির্মান কাজ। এছাড়াও বর্তমান সরকারের আমলে সদর ও বিজয়নগর উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন কাজ কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে। সদর আসনের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া পৌর এলাকায় একটি অত্যাধুনিক শিশুপার্ক নির্মানের কাজ ও ভাদুঘর আন্তঃজেলা বাসস্ট্যান্ডের আধুনিকায়নের কাজ প্রক্রিয়াধীন। শুধু উন্নয়ন কর্মকান্ডই নয়, মোকতাদির চৌধুরী এম.পির কারনে সদর ও বিজয়নগর উপজেলায় আইনশৃংখলা পরিস্থিতি রয়েছে সন্তোষজনক পর্যায়ে। তিনি কথামালায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী, টেন্ডারবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, ভুমিদস্যূ, দুর্নীতিবাজ, ইভটিজার তথা সামাজিক নিরাপত্তা বিঘœকারীদের বিরুদ্ধে তার বলিষ্ঠ অবস্থানের কারনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও ভূমিদস্যুরা কোনঠাসা অবস্থায় রয়েছে। তার এসব গুনাবলীর কারনে তার প্রতি জনগনের সমর্থন দিন দিন বাড়ছে।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১