শিরোনাম

জন্মদিনে কেক কাটে ছাত্রদল

ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা

নিউজ ডেস্ক | মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট ২০১৬ | পড়া হয়েছে 1819 বার

ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা

দেশের সার্বিক অবস্থার কথা বিচেনা করে নিজের জন্মদিনে কেক কাটেননি বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তবে দলটির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল আগের মতই নেত্রীর জন্মদিন হিসেবে উদযাপন করেছে দিনটিকে। প্রথম প্রহরে ঘটা করে কেক কেটে প্রিয় নেত্রীর জন্মদিন পালন করেছে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এছাড়া দেশের বাইরে বিএনপি ও অঙ্গ দলগুলো খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটাসহ তার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। এদিকে কেক কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে জন্মদিন পালন না করলেও প্রিয় নেত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে ভুল করেনি নেতাকর্মীরা। বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা খালেদা জিয়াকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। অনেকেই পোস্টার করে নিজের ছবিটাও ফেসবুকে আফলোড করেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, দেশের বিভিন্নস্থানে জঙ্গি হামলা, লাগামহীন সন্ত্রাস, বন্যা পরিস্থিতি, গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে হামলা, দলের বহু নেতাকর্মী কারাগারে, মামলায় নেতাকর্মীরা ফেরারি আসামী হওয়াসহ বেশ কয়েকটি কারণে খালেদা জিয়া এবার জন্মদিনে আনুষ্ঠানিকভাবে কেট কাটা ও ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ না করার সিদ্ধন্তি নিয়েছেন।


তাই গতকাল নিজের জন্মদিনে খালেদা জিয়া বিএনপি ও এর প্রায় সবগুলো অঙ্গ সংগঠনের নেতারা দলীয় প্রধানের ‘জন্মদিন’ পালন থেকে বিরত থাকে। তবে ব্যতিক্রম শুধু ছাত্রদল। সংগঠনটির সভাপতিসহ কেন্দ্রীয় অনেক নেতা এবং বিভিন্ন ইউনিটের নেতারা কেক কেটে তাদের নেত্রীর জন্মদিন পালন করে। ছাত্রদলের এক নেতা জানান, চেয়ারপার্সন জন্মদিন পালন না করার কথা বললেও তাদেরকে কেউ নিষেধ করেননি। তাই তারা তাদের মত করে আনন্দ করেছেন।

জানা গেছে, সংগঠনের সভাপতি রাজিব আহসান ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে কেক কেটে দলীয় প্রধানের জন্মদিন পালন করেন। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আশরাফুল রহমান বাবু নিজের ফেসবুক ওয়ালে সভাপতির কেক কাটার একাধিক ছবি পোস্ট করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা একটি ছবিতে দেখা গেছে ছাত্রদল সহসভাপতি আজমল হক পাইলট নেতাকর্মীদের নিয়ে কেক কেটেছেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, অন্যান্য বছর চেয়ারপার্সন নিজে কেক কাটেন এবার তিনি কাটেননি। তিনি কাটবেন না বলেছেন, কিন্তু কাটতে তো নিষেধ করেননি। তবে অন্য সময়ের মতো এবার আমরা জাঁকজমপূর্ণ আয়োজন করিনি। ম্যাডামকে ভালোবেসে যে কেউই কেক কাটতে পারে। সেটি ছাত্রদল করলে যে করা যাবেনা সেটি ঠিক নয়। পাইলট নামে একজন কেক কাটার ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, খালেদা জিয়া জন্ম নিয়েছেন বলেই ১৫ আগস্ট একটি শুভ দিন। তিনি লিখেন ‘এই দিনে তিনি (খালেদা জিয়া) জন্ম নিয়েছেন বলেই দিনটি আজ শুভ। পরম করুনাময় রাব্বুল আলামিন দেশনেত্রীর শারীরিক সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু দান করুন। আমিন’ ছাত্রদল নেতা জুলহাস আহমেদের পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, রাত ১২টার পর কেক কেটে খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করে সংগঠনের ঢাকা কলেজ শাখা। অন্য একটি ছবিতে দেখা গেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকও নেতাকর্মীদের নিয়ে কেক কেটে চেয়ারপার্সনের জন্মদিন পালন করছেন।

জন্মদিনে কেক না কাটলেও রোববার রাতে বিএনপির সিনিয়র নেতারা বেগম জিয়াকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপি নেতা বিলকিস জাহান শিরিন, নূরে আরা সাফা, শিরিন সুলতানাসহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান। তারা বেগম জিয়াকে মৌখিকভাবে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান।

দোয়া মাহফিল: এদিকে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু কামনা, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্থতা এবং মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বিএনপি। দলের নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০