শিরোনাম

ফলন ভালো হলেও কৃষকরা হতাশায়!

স্টাফ রিপোর্টার : | শুক্রবার, ০৪ মে ২০১৮ | পড়া হয়েছে 295 বার

ফলন ভালো হলেও কৃষকরা হতাশায়!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জের ধানের মোকাম। দেশের যে কয়টি ধানের মোকাম রয়েছে তার মধ্যে এটি গুরুত্বপূর্ণ মোকাম। এবার হাওরাঞ্চলের উৎপাদিত ধানের ভাল ফলনে পাল্টে গেছে মোকামের চিত্র। উৎপাদন ভাল হওয়ায় প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে অন্যতম ধানের এ মোকামে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত বছর যেখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতিদিন ৫/১০ হাজার মণ ধান আসতো।


এবার বাস্তব চিত্র এই রকম হওয়ার কথা থাকলে সে জায়গায় কৃষকরা ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার কারণে এখানে প্রতিদিন ৫০/৬০ হাজার মণ ধান আসছে। তবে জমিতে ধানের উৎপাদন বাড়লেও বিক্রিতে কপাল খুলেনি কৃষকদের। প্রকৃত মূল্য না পাওয়ায় অনেকটাই হতাশায় তারা। অন্যদিকে চাল আমদানি বন্ধসহ সরকারি ধান ক্রয়ের লক্ষ্য মাত্রা বৃদ্ধির দাবি মিল মালিকদের।

সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর জানান, সরকারিভাবে চালের আমদানি বন্ধ রয়েছে। দেশের অন্যতম বৃহৎ ধান চালের মোকাম আশুগঞ্জের বিওসি ঘাট এলাকা। প্রতিদিন এখানে কিশোরগঞ্জ, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ সহ দেশের হাওরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থান থেকে কৃষকরা নৌকা দিয়ে এ মোকামে প্রতিদিনই নিয়ে আসছে নতুন ধান। চলতি মৌসুমে হাজার হাজার মণ নতুন ধান মোকামে আসলেও কৃষকদের দাবি উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেকটাই কম মূল্যে তাদের ধান বিক্রী করতে হচ্ছে। বর্তমানে সেখানে প্রতিমণ ধান ৫শত থেকে ৬শত টাকায় বিক্রী হচ্ছে। অথচ তাদের উৎপাদন খরচ পড়েছে মন প্রতি ৭শত টাকার মত। গত সপ্তাহেও প্রতি মণ ধানা তারা ৬৭৫ টাকা বিক্রী করলেও এখন মণপ্রতি ১শত টাকা কমে গেছে। বিরূপ আবহাওয়ার কারণে তারা উৎপাদিত ধান কম মূল্যে বিক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছে।

এছাড়া পাইকারদের দাবি মিলগুলোতে পর্যাপ্ত চাল মজুদ থাকায় মিল মালিকরা এখন ধান ক্রয়ে আগ্রহী নয়।

জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের অফিস জানান, বুরো সংগ্রহ অভিযান শুরু হলে ধান বাজারদর বাড়বে। সে সাথে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তিতে প্রয়োজনে সরকারি ভাবে ধানক্রয়ের লক্ষ্য মাত্রা বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিতে আনা হবে।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০