শিরোনাম

প্রথম পুরুষাঙ্গ প্রতিস্থাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : | বুধবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৮ | পড়া হয়েছে 242 বার

প্রথম পুরুষাঙ্গ প্রতিস্থাপন

মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপন এখন হরহামেশাই হচ্ছে। তবে এই প্রথম পুরুষাঙ্গ ও অণ্ডকোষের থলে প্রতিস্থাপনে সফল হলেন একদল মার্কিন চিকিৎসক।

আফগানিস্তানে যুদ্ধাহত একজন সেনাসদস্যের ওপর এ অস্ত্রোপচার চালিয়েছেন মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমোরে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের শল্যচিকিৎসকেরা। একজন মৃত দাতার পুরুষাঙ্গ, অণ্ডকোষের থলে ও তলপেটের কিছু অংশ ওই আহত সেনার দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়। আফগানিস্তানে যুদ্ধে যাওয়ার পর একটি পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে এই সেনা আহত হয়েছিলেন।


শল্যচিকিৎসকেরা বলছেন, এই প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে ওই সেনা তাঁর যৌনসক্ষমতা ফিরে পাবেন। পুরুষাঙ্গ পুনর্গঠনের মাধ্যমে যা এত দিন অসম্ভব ছিল।

১১ জন শল্যচিকিৎসকের দলটি গত ২৬ মার্চ ১৪ ঘণ্টার বেশি সময় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সফলভাবে পুরুষাঙ্গ ও অণ্ডকোষ প্রতিস্থাপনে সক্ষম হন। তবে নৈতিক বিবেচনায় দাতার অণ্ডকোষ প্রতিস্থাপন করা হয়নি।

জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্লাস্টিক অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারির প্রধান ডক্টর ডব্লিউপি অ্যান্ড্রু লি গত সোমবার এক ব্রিফিংয়ে বলেন, যুদ্ধে কিছু কিছু জখমের বিষয় গোপন রাখা হয় এবং এর কারণে যে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, তা ভালোভাবে নেন না অন্যরা। তিনি পুরুষাঙ্গ-সংক্রান্ত জখমকে ‘যুদ্ধের অজানা আঘাত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

অ্যান্ড্রু লি বলেন, ২০১৪ সালের একটি সিম্পোজিয়ামে এ ধরনের যুদ্ধাহত সেনাদের স্ত্রী, স্বজনদের মাধ্যমে তাঁদের প্রিয়জনের দুর্বিষহ জীবন সম্পর্কে তাঁরা জানতে পারেন। এরপরই তাঁরা পুরুষাঙ্গ প্রতিস্থাপনের চিন্তা করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সেনা জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমি যখন প্রথম জেগে উঠি, নিজেকে আরো স্বাভাবিক মনে হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল আমি ঠিক হয়ে গেছি।’

চিকিৎসক রিক রেডিট বলেন, ওই সেনা দ্রুত সেরে উঠছেন। আশা করা যাচ্ছে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া যাবে এই সপ্তাহেই।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০