শিরোনাম

বিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ের জের

প্রতিপক্ষের হামলায় দলিল লেখক আহতের ঘটনায় অবশেষে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার : | শনিবার, ২০ জানুয়ারি ২০১৮ | পড়া হয়েছে 616 বার

প্রতিপক্ষের হামলায় দলিল লেখক আহতের ঘটনায় অবশেষে মামলা

বিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় দলিল লেখক মনিরুজ্জামান গুরুত্বর আহত হওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত এজাহারটি অবশেষে শুক্রবার (১৯.০১.২০১৮) মামলা হিসেবে নেয়া হয়েছে যার নং-৩৮।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জানুয়ারি দুপুরে সদর উপজেলার নাটাই দক্ষিণ ইউপি’র পয়াগ নরসিংসার এ বারী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় দলিল লেখক মনিরুজ্জামান গুরুত্বর আহত হয়। এ বিষয়ে নরসিংসার গ্রামের মোঃ ইদ্রিস মিয়া (মাস্টার)’র পুত্র (আহত) মোঃ মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে একই গ্রামের মৃত রহিছ মিয়ার পুত্র মোঃ অলি মিয়া, মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র খলিলুর রহমান, মৃত মগবুল মিয়ার পুত্র খেলু মিয়া, জিলহজ্ব মিয়ার পুত্র রাকিব মিয়া, খেলু মিয়ার পুত্র তারেক এর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ জনকে বিবাদী করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় একটি এজহার দায়ের করেন। এজহার সূত্রে প্রকাশ, পয়াগ নরসিংসার এ বারী উচ্চ বিদ্যালয়ে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে একজন অফিস সহকারী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছিল। এ বিষয়টি স্থানীয় পত্রিকার মাধ্যমে অবগত হয়ে এজহারকারী দলিল লিখক মোঃ মনিরুজ্জামান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট ঘটনার সত্যতা জানতে গেলে একই গ্রামের এজহারে বর্ণিত ১ ও ২নং আসামী দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে মনিরুজ্জামানের উপর ঝাপিয়ে পড়ে এবং বেধড়ক মারধর করতে থাকে। এতে করে মনিরুজ্জামান গুরুত্বর আহত হয়। এ সময় এজহারে বর্ণিত আসামীরা তার কাছে থাকা ৩৫ হাজার টাকা জোর পূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে মনিরুজ্জামানের সুর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তার একটি চোখ এবং ডান হাতের অবস্থা আশঙ্কা জনক বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য যে, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ পত্রিকায় কোন প্রকার বিজ্ঞপ্তি ছাড়া, মাত্র ৩ দিনের দেয়াল নোটিশে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসকে অবগত না করে, এমনকি নিয়োগ কমিটি ছাড়াই একজন খন্ডকালিন অফিস সহকারী নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করে ফেলে। এ নিয়ে এলাকার ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়। বিষয়টি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকা এবং বিভিন্ন অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে এজাহারটি মামলা হিসেবে নেয় থানা পুলিশ।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১