শিরোনাম

চোঁখে আলো স্বল্পতা সত্বেও

প্রতিদ্বন্দ্বীভাবে সমাপনী পরীক্ষা দিচ্ছে শারমীন

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি : | সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 208 বার

প্রতিদ্বন্দ্বীভাবে সমাপনী পরীক্ষা দিচ্ছে শারমীন

শারমীন আক্তার। দরিদ্র কৃষক রিপন মিয়ার সবেধন নীলমনি। পিতার ইচ্ছে মেয়েকে ডাক্তার বানাবেন। তাইতো-দিনরাত মেয়েকে নিয়ে টেনশন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর সদর এস.এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫ম শ্রেনীর সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে শারমীন। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী। সে জানায় তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক দশদোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মো. মাইনুদ্দিন।

শারমীন জন্ম থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে জন্মেছে। মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ হয়ে দাড়িয়েছে শারমীনের দুটো চোঁখই দিন কি দিন আলোর জ্যোতি কমে যাচ্ছে। হয়তো চিকিৎসা না করালে কিছু দিনের মধ্যে ফুটফুটে সুন্দর বালিকাটি চীরতরে অন্ধ হয়ে যাবে। শারীরিক প্রতিদ্বন্দ্বী শারমীনকে পরীক্ষার প্রশ্ন পড়তে হলে তাকে ঘাড় কাঁত করে স্কুলের বেঞ্চের উপর মাথাটি সমান ভাবে ভাঁজ করে রাখতে হয়। তারপর, প্রশ্নটি চোঁখের খুব কাছে আনার পর সে কিছুটা দেখে, তার উপর ভিত্তি করে পরীক্ষার খাতায় উত্তর লিখতে দেখা গেছে।


খোজ নিয়ে জানা যায়, অর্থের অভাবে তার চোঁখের চিকিৎসা করাতে পারছে না রিপন মিয়া। রোববার পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার ম্যাজিষ্ট্র্যাসি ক্ষমতা সম্পন্ন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এম.আর খান বলেন, ‘তাকে আমরা বিধি মোতাবেক পরীক্ষার সময় ১৫ মিনিট সময় বেশী দেবো।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০