শিরোনাম

পৌর পরিষদের বিশেষ সভায়

“পৌরসভায় গরিবের রেশন কার্ডে ভিআইপি কোটা” শীর্ষক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি | বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২০ | পড়া হয়েছে 192 বার

“পৌরসভায় গরিবের রেশন কার্ডে ভিআইপি কোটা” শীর্ষক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

গত বুধবার বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার কার্যালয়ে পৌর পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নায়ার কবির। সভায় বক্তারা ৬ মে, বুধবার প্রকাশিত মানবজমিন পত্রিকার শেষ পৃষ্ঠায় “ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় গরিবের রেশন কার্ডে ভিআইপি কোটা” শীর্ষক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সংবাদটির একাংশে করোনা পরিস্থিতিতে বিশেষ ওএমএস সুবিধার আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় ৯ হাজার ৬শ’ রেশন কার্ড দিয়েছে সরকার। ওয়ার্ড পর্যায়ে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির মাধ্যমে সুবিধা ভোগীদের তালিকা প্রনয়নের কথা থাকলেও অধিকাংশ ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিজের ইচ্ছেমতো তালিকা বানিয়ে কার্ড বিতরণ করছেন। সামর্থ্যবানদেরও দিয়েছেন তারা এ সুবিধে। কাউন্সিলরদের দেয়া তালিকা কোন যাচাই-বাছাই ছাড়াই জমা দেয়া হয় রেশনের জন্যে। শুধু তাই নয়, গরীবের এই রেশন কার্ড বিতরণে ভিআইপি কোটাও সংরক্ষণ করা হয়েছে এই পৌরসভায়। এছাড়া প্রত্যেক ওয়ার্ডে নগদ ২৫ হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়। এই টাকাও কাদের মধ্যে বিতরন হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন আছে।” প্রকাশিত এই সংবাদের তীব্র সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, মিথ্যা তথ্য দিয়ে ও উদ্দ্যেশ্য প্রণোদিতভাবে এই সংবাদ প্রকাশে সহযোগিতা করেছেন একটি মহল। সভায় বক্তারা বলেন, আমরা যে পরিমাণ রেশন কার্ড বরাদ্দ পেয়েছি। তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। আমরা খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ওয়ার্ড পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির মাধ্যমে তালিকা প্রণয়ন এবং যাচাই বাছাই করে নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মহীন মানুষের মধ্যে এই বিশেষ ওএমএস সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। বক্তারা ৩০০ কার্ড একটি ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত নয়। প্রথম দফায় তালিকা প্রস্তুত হওয়ার পর ইতিমধ্যে রেশন বিতরণের কাজও শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় ওয়ার্ড পিছু যে কার্ড বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এর তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে এখন। এছাড়াও চাহিদানুযায়ী ওএমএস কার্ড না পাওয়ায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে রেশন কার্ড না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে আমরা ওয়ার্ড পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির মাধ্যমে যাচাই বাছাই করেই ওই সুবিধা প্রদান করছি। সভায় বক্তারা এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেন। সভায় বক্তব্য রাখেন বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত কাউন্সিলর হোসনে আরা বাবুল, হালিমা আক্তার কাজল, সালমা বেগম, মাহমুদা রহমান, পৌর কাউন্সিলর মোঃ জামাল হোসেন, মোঃ আবুল বাশার, মোঃ খবির উদ্দিন, আলহাজ্ব মিজানুর রহমান আনছারী, মোঃ কাউছার, ওমর ফারুক জীবন, মোঃ ফেরদৌস মিয়া, শাহ মোঃ শরীফ ভান্ডারী, আলহাজ্ব মোঃ মুরাদ খান, মুফতি মাকবুল হোসাইন, আব্দুল হাই ডাবলু, রফিকুল ইসলাম নেহার, প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন পৌর সচিব মোঃ সামছুদ্দিন। সভায় সভাপতির বক্তব্যে পৌর মেয়র নায়ার কবির বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার কর্তৃক ত্রান কার্যক্রম শতভাগ স্বচ্ছভাবে বিতরণের লক্ষ্যে পৌর পরিষদ নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পৌর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে ত্রান কমিটির মাধ্যমেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি এ সময় আরো সতর্কতার সহিত ত্রান কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পৌর পরিষদের প্রতি আহবান জানান।


আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০