[count_down]

শিরোনাম

নাসিরনগরে এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে

নোটিশ ছাড়াই মালিকানাধিন জায়গা থেকে স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ

নাসিরনগর প্রতিনিধি | সোমবার, ২০ জানুয়ারি ২০২০ | পড়া হয়েছে 87 বার

নোটিশ ছাড়াই মালিকানাধিন জায়গা থেকে স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে কোন প্রকার নোটিশ ছাড়াই মুখলেছুর রহমান চৌধুরীর মালিকাধীন স্থাপনা ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে গুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার দুপুরে নাসিরনগর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন করে মুখলেছুর রহমান চৌধুরী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে মুখলেছুর রহমান চৌধুরী দাবি করেন, তিনি সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক সড়কের নাসিরনগর উপজেলা সদরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ক্রয়সূত্রে ৬২৫৬ দাগে তিন শতক ভূমির মালিক। ওই জায়গায় ২৫ বছর ধরে তার পাঁচটি পাকা দোকান ঘর রয়েছে। তিনি এগুলোর ভাড়া দিয়ে জীবন নির্বাহ করে আসছেন। দোকান ঘরের সামনে ৫৫ ফুট দৈর্ঘ্য আর ৬ ফুট প্রস্থের একটি বারান্দা বিদ্যামান ছিল। চলতি মাসের শুরুর দিকে তিনি ওই বারান্দার সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেন। কিন্তু গত ১৩ জানুয়ারি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তার কোনো প্রকার নোটিশ ছাড়াই ভোল্ডড্রেজার দিয়ে তাঁর মালিকানাধিন পাকা ভবনের বারান্দাটি গুড়িয়ে দেন।


সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন অবৈধভাবে তাঁর বৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছে। তাছাড়াও বারান্দাসহ পাকা ভবনের সামনের উত্তর দিকের রাস্তাটিও তাঁর নিজ ভূমির ওপর বিদ্যমান। ওই রাস্তার মালিকানা দাবি করে তিনি আদালতে দুটি মামলাও দায়ের করেছেন। এগুলো আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

মুখলেছুর রহমান চৌধুরী বলেন, কোনো নোটিশ ছাড়াই স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়ার সময় তিনি ভূমির বৈধতার কাগজপত্র দেখানোর জন্য বার বার চেষ্টা করেছেন। এসময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে গ্রেফতার করে থানায় সোপর্দের ভয় দেখান।

সংবাদ সম্মেলনে মুখলেছুর রহমান চৌধুরীর ছেলে জাকির হোসেন চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, যারা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নিয়মিত টাকা দিতে পারে তাঁদের স্থাপনা অবৈধ হলেও উচ্ছেদ হয় না। আমাদের বৈধ জায়গা হলেও টাকা দেই না বলে আমাদের বৈধ স্থ্াপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।’

এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা আক্তার বলেন,সরকারি জায়গা দখল করে বারান্দা নির্মাণ করেছে। তাই সরকারি জায়গা থেকে ভবনের নতুন বর্ধিত অংশ উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদকৃত ভূমিটি এক নম্বর খাস খতিয়ানের ৬২৫৪ দাগের অন্তর্ভুক্ত। এ জমির মালিক সরকার।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০