শিরোনাম

শোকজের জবাবে ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন হাজারী আঙ্গুর

নেতা-কমীদের গালিগালাজ ও দলীয় নেতাদের ছবি ফেলে দেওয়ার ঘটনা মিথ্যা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : | শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০১৭ | পড়া হয়েছে 181 বার

নেতা-কমীদের গালিগালাজ ও দলীয় নেতাদের ছবি ফেলে দেওয়ার ঘটনা মিথ্যা

গত ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সম্মেলনে নেতা-কর্মীদের গালিগালাজ, মঞ্চ ভাংচুর, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অভাবনীয় উন্নয়নের রূপকার র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এম.পি.র ছবি, ব্যানার টেনে হিচড়ে মাটিতে ফেলে দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ও সুহিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন হাজারী আঙ্গুর। এছাড়াও ওই দিন সুন্দরভাবে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (০৯.১১.২০১৭) সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের কাছে পাঠানো তাকে দেওয়া শোকজের জবাবে তিনি এই দাবি করেন।


শোকজের জবাবে আজাদ হোসেন হাজারী আঙ্গুর বলেন, স্থানীয় একটি দৈনিকে ছাপানো সংবাদ থেকে তিনি জানতে পারেন তাকে শোকজ করা (কারণ দর্শানোর নোটিশ) হয়েছে।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু। পর্যায়ক্রমে তিনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ও বর্তমানে সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, দলীয় নিয়ম-কানুন ও শৃংখলা মেনেই তিনি রাজনীতি করছেন।

আজাদ হোসেন হাজারী আঙ্গুর বলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসরন করেই তিনি রাজনীতি করছেন। তিনি বলেন, গত ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সুহিলপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সম্মেলন শুরুর আগে তার সাথে ব্যক্তিগত ও স্থানীয় একটি বিষয় নিয়ে জেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক শামসুল হক মিল্লাতের সামান্য কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দু’জনই সম্মেলনের স্বার্থে চুপ থেকে সম্মেলনে যোগদান করেন। ওইদিন সম্মেলনের কার্যক্রমে কোন ব্যাঘাত ঘটেনি। যথারীতি সম্মেলন স¤পন্ন হয়েছে ও কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। তারপরও একটি নেতিবাচক কার্যক্রমের জন্য তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও অনুতপ্ত। তিনি তার বিষয়টি বিবেচনা করে তাকে কারণ দর্শানোর দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য দলীয় নেতাদের কাছে অনুরোধ করেন।

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০